বৃহস্পতিবার   ১৮ এপ্রিল ২০২৪ || ৪ বৈশাখ ১৪৩১

প্রকাশিত: ১৬:৪০, ৫ মার্চ ২০২৪

আপডেট: ১৬:৪৬, ৫ মার্চ ২০২৪

গাইবান্ধায় চরের বালুতে মিলল মূল্যবান ছয় খনিজ

গাইবান্ধায় চরের বালুতে মিলল মূল্যবান ছয় খনিজ
সংগৃহীত

গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্র নদের চরের বালুতে সম্প্রতি মূল্যবান ছয়টি খনিজ পদার্থের সন্ধান মিলেছে। এগুলো হচ্ছে ইলমিনাইট, রুটাইল, জিরকন, ম্যাগনেটাইট, গারনেট ও কোয়ার্টজ। এখানকার বালুতে আরও অন্য কোনো খনিজ পদার্থ আছে কিনা তা শনাক্তে গবেষণা চলছে।

খনিজ সম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান জয়পুরহাটের ইনস্টিটিউট অব মাইনিং, মিনারেলজি অ্যান্ড মেটালার্জির (আইএমএমএম) পরিচালক ড. মোহাম্মদ নাজিম জামান এ তথ্য জানিয়েছেন। একই তথ্য নিশ্চিত করেছে আরেক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদও (বিসিএসআইআর) ।  

তিনি জানান, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার বিভিন্ন বালুচর থেকে ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন বালু সংগ্রহ করা হয়েছিল। খনিজ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে বিভিন্ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রতি টন বালু থেকে ২ কেজি ইলমিনাইট, ২শ গ্রাম রুটাইল, ৪শ গ্রাম জিরকন, ৩.৮ কেজি ম্যাগনেটাইট, ১২ কেজি গারনেট ও ৫০ কেজি কোয়ার্টজ মিনারেল পাওয়া গেছে। ১০ মিটার গভীরতায় প্রতি এক বর্গকিলোমিটার এলাকা থেকে উত্তোলনের পর নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত বালুর বাজারমূল্য ৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকা। আর সমপরিমাণ এলাকা থেকে প্রাপ্ত খনিজের বাজার মূল্য তিন হাজার ৬৩০ কোটি টাকা। তবে কোন প্রক্রিয়ায় কোনো প্রতিষ্ঠান এসব খনিজ আহরণ করবে, শিগগিরই তা নির্ধারণ করবে সরকারের জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ।

আইএমএমএম পরিচালক জানান, এর মধ্যে রুটাইল ব্যবহৃত হয় রঙ, প্লাস্টিক, ওয়েলডিং রড, কালি, খাবার, কসমেটিকস এবং ওষুধ উৎপাদনে। অস্ট্রেলিয়া, ভারত, ইতালি, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, সিয়েরা লিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র এই খনিজ পদার্থটি সারাবিশ্বে রপ্তানি করে। জিরকন ব্যবহৃত হয় সিরামিক, টাইলস, রিফ্যাক্টরিজ ও মোল্ডিং সেন্ডসে (ছাঁচ নির্মাণে ব্যবহৃত বালু)। এ খনিজ উপাদানটি বর্তমানে সারা বিশ্বে রপ্তানি করে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, চীন, ব্রাজিল, সিয়েরা লিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র।

ম্যাগনেটাইট চুম্বক ও ইস্পাত উৎপাদন, খনি থেকে উত্তোলিত কয়লা পরিষ্কার এবং তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে গভীর কূপ খননে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া এই মূল্যবান খনিজ পদার্থটি সারা বিশ্বে রপ্তানি করে। গারনেট হলো ভারি ও মূল্যবান খনিজ। এটি ব্যবহার করা হয় সিরিশ কাগজ উৎপাদন, লোহাজাতীয় পাইপ পরিষ্কার ও বালুতে বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া ও ভারত গারনেট সারাবিশ্বে রপ্তানি করে ।  

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল বলেন, এসব খনিজ সম্পদ পিছিয়ে পড়া এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অর্থনীতি বদলে ভূমিকা রাখবে।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

সর্বশেষ

শিরোনাম

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপনদেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরঈদে বেড়েছে রেমিট্যান্স, ফের ২০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রিজার্ভ১৪ কিলোমিটার আলপনা বিশ্বরেকর্ডের আশায়তাপপ্রবাহ বাড়বে, পহেলা বৈশাখে তাপমাত্রা উঠতে পারে ৪০ ডিগ্রিতেনেইমারের বাবার দেনা পরিশোধ করলেন আলভেজ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ কী? কীভাবে করবেন?বান্দরবানে পর্যটক ভ্রমণে দেয়া নির্দেশনা চারটি স্থগিতআয়ারল্যান্ডের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার অভিনন্দনসুইজারল্যান্ডে স্কলারশিপ পাওয়ার উপায় কিবৈসাবি উৎসবের আমেজে ভাসছে ৩ পার্বত্য জেলাসবাই ঈদের নামাজে গেলে শাহনাজের ঘরে ঢুকে প্রেমিক রাজু, অতঃপর...