মঙ্গলবার   ১৬ এপ্রিল ২০২৪ || ২ বৈশাখ ১৪৩১

প্রকাশিত: ১২:৫৩, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ইসলামী স্থাপত্য ও ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করে দেশের যে ৫ মসজিদ

ইসলামী স্থাপত্য ও ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করে দেশের যে ৫ মসজিদ
সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম মুসলিম জনবহুল দেশ হলো বাংলাদেশ। মধ্যযুগ থেকে অনেক মুসলিম রাজা আমাদের ভূখণ্ড শাসন করেছেন। অসংখ্য প্রাসাদ, মসজিদ ও দুর্গ নির্মিত হয়েছে। এমন কিছু মসজিদ আমাদের দেশে এখনও রয়েছে যা কিনা ইসলামী স্থাপত্য ও ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করে।

(১) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ

 

 বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ। ছবি: অন্তর্জাল

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ। ছবি: অন্তর্জাল

 

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উচ্চতা প্রায় ৯৯ ফুট। এটি ৮ তলা বিশিষ্ট। বায়তুল মোকাররম বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদও বটে। একজন মুসলিম ভ্রমণকারীকে ঢাকা সফরের সময় এই মসজিদটি অবশ্যই দেখতে হবে। এই মসজিদের স্থাপত্য মুঘল আদলে  নির্মিত।  এই মসজিদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর ঘনক্ষেত্র আকৃতি মক্কার পবিত্র কাবাঘরের অনুরূপ।

(২) ষাট গম্বুজ মসজিদ

 

ষাট গম্বুজ মসজিদ। ছবি: অন্তর্জাল

বাগেরহাটে অবস্থিত এই মসজিদটি নির্মাণ করেন খান জাহান আলী। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত এই মসজিদটি। ২০০০ জনেরও বেশি মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন। এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদগুলোর মধ্যে একটি। একবার আপনি মসজিদে প্রবেশ করলে শীতল পরিবেশ পাবেন। যা আপনাকে শারীরিক এবং মানসিক প্রশান্তি প্রদান করবে।

(৩) কুসুম্বা মসজিদ

 

 কুসুম্বা মসজিদ। ছবি: অন্তর্জাল

নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার আত্রাই নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত কুসুম্বা গ্রাম। এই গ্রামের নামানুসারে কুসুম্বা মসজিদের নামকরণ করা হয়েছে। এটি একটি সুলতানের শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল। জানা গিয়েছে, এটি সুলতান গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ’র সময় নির্মিত হয়েছিল। এর ছাদে ৬টি গম্বুজ রয়েছে। এই মসজিদটি নির্মাণে যে পাথরগুলো ব্যবহার করা হয়েছিল; তা ছিল কালো-ব্যাসল্ট ইট। এগুলো বিহার থেকে জলপথে নিয়ে আসা হয়েছিল।

(৪) বাঘা মসজিদ

 

বাঘা মসজিদ। ছবি: অন্তর্জাল

রাজশাহী থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘায় অবস্থিত বাঘা মসজিদ। এটি একটি গম্বুজ আকৃতির মসজিদ। মসজিদটি ফুল, নিদর্শন এবং অন্যান্য সুন্দর জিনিসের মতো প্রচুর পোড়ামাটির শিল্পে আছ্ছাদিত। পোড়ামাটির শিল্পের বেশিরভাগই ফুলের নকশা। এই মসজিদটি ১৫২৩ সালে সুলতান নুসরাত শাহ হোসেন শাহের আমলে নির্মিত হয়েছিল

(৫) ছোট সোনা মসজিদ

 

ছোট সোনা মসজিদ। ছবি: অন্তর্জাল

ছোট সোনা মসজিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। কেন্দ্রীয় প্রবেশপথে এখনও সংযুক্ত একটি শিলালিপি ফলক রয়েছে। এটি অনুসারে মসজিদটি মজলিস-আল-মাজালিস, মজলিস মনসুর ওয়ালি মুহাম্মদ বিন আলী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মসজিদটির অলঙ্করণের কারণে এটির সামনে গেলে সবাই মুগ্ধ হয়। এটি প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্যের কথা বলে।

সূত্র: ডেইলি-বাংলাদেশ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

সর্বশেষ

শিরোনাম

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপনদেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরঈদে বেড়েছে রেমিট্যান্স, ফের ২০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রিজার্ভ১৪ কিলোমিটার আলপনা বিশ্বরেকর্ডের আশায়তাপপ্রবাহ বাড়বে, পহেলা বৈশাখে তাপমাত্রা উঠতে পারে ৪০ ডিগ্রিতেনেইমারের বাবার দেনা পরিশোধ করলেন আলভেজ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ কী? কীভাবে করবেন?বান্দরবানে পর্যটক ভ্রমণে দেয়া নির্দেশনা চারটি স্থগিতআয়ারল্যান্ডের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার অভিনন্দনসুইজারল্যান্ডে স্কলারশিপ পাওয়ার উপায় কিবৈসাবি উৎসবের আমেজে ভাসছে ৩ পার্বত্য জেলাসবাই ঈদের নামাজে গেলে শাহনাজের ঘরে ঢুকে প্রেমিক রাজু, অতঃপর...