• সোমবার   ১২ এপ্রিল ২০২১ ||

  • চৈত্র ২৯ ১৪২৭

  • || ২৯ শা'বান ১৪৪২

গুলঞ্চের ঔষধি গুনাগুন

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

গুলঞ্চ একটি দীর্ঘ্ লতানো উদ্ভিদ। সাধারণাত অন্য গাছকে অবলম্বন করে বেড়ে উঠে। বাংলায় একে গুলঞ্চ বলে যা হয়ত গুডুচ শদ্ব থেকেই এসেছে যা এক প্রকার লতা পাহাড়ে পার্ব্ত্য চটগ্রামের দিকে বেশি দেখা যায়।

ঔষধি গুনাগুন :

১০-১২ গ্রাম গুলঞ্চের কাচাপাতা বা কাণ্ড থেতো করে নিন। এরপর ১ কাপ গরম পানিতে ৩ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। পরে হাত দিয়ে কচলিয়ে ছেঁকে পানিটুকু দিনে দুই থেকে তিন বার পান করলে অনেক দিন ধরে ভুগতে থাকা বাতজ্বর সেরে যাবে।

সব ধরনের চর্ম্ রোগে ৮-১০ গ্রাম কাচা কাণ্ড থেতো করে ১ কাপ পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরে কচলিয়ে ছেকে পানিটুকু দিনে ২-৩ কার পান করতে হবে। নিয়মিত এক মাস পান করলে চর্ম্ রোগ সেরে যাবে।

কৃমি দূর করতে ২-৩ চা চামচ গুলঞ্চের কাণ্ডের রস দিনে ২-৩ বার চিনি মিশিয়ে খেলে কৃমি থাকবে না। কমপক্ষে ৫-৭ দিন পান করতে হবে।

শারীরিক দুর্ব্লতা দূর করতে গুলঞ্চের কাঁচা পাতার রস উপকারী।

বহুদিনের বাতজ্বর বা থেমে জ্বরের চিকিৎসায় গুলঞ্চের কাণ্ড ব্যবহার হয়।

জন্ডিস, হাত পায়ে জ্বালাপোড়া, বহুমূত্র, অর্শ্ রোগে গুলঞ্চের কাচা পাতা ও কাণ্ড দুটোই ব্যবহার হয়।

চর্ম্ রোগ, শ্বাসনালির অনিয়ম , স্নায়ুশূল রোগে ব্যবহৃত হয়।

বোধশক্তি উন্নত করতে গুলঞ্চের কাচা পাতা রস ব্যবহার হয়।

কাচা কাণ্ডের রস মূত্র বৃদ্ধিকারক ও গনোরিয়ার চিকিৎসায় উপকারি।

পান করার নিয়ম : পাতার রস ২-৩ চামচ এবং কাচা পাতা বা কাণ্ড ৮-১২ গ্রাম পান করতে হবে। তাজা গুলঞ্চ ব্যবহার করা ভালো।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা