শুক্রবার   ০১ মার্চ ২০২৪ || ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০

প্রকাশিত: ১০:২২, ২৯ নভেম্বর ২০২৩

সাঘাটায় হয়ে গেল ব্যতিক্রম ধর্মী বউ-শাশুড়ির মেলা

সাঘাটায় হয়ে গেল ব্যতিক্রম ধর্মী বউ-শাশুড়ির মেলা
সংগৃহীত

‘বাড়িতে প্রসবকে না বলি, প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবসেবা নিশ্চিত করি’ প্রতিপাদ্যে গাইবান্ধার সাঘাটায় ব্যতিক্রমধর্মী বউ-শাশুড়ির মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) উপজেলার পদুমশহরে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা কইকা এর অর্থায়নে এবং সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা এসকেএস ফাউন্ডেশন কর্তৃক বাস্তবায়িত মমতা প্রকল্পেরে উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় প্রায় শতাধিক গর্ভবতী মা, তাদের শাশুড়ি ও স্বামীরাসহ স্থানীয় সাধারণ জনগন ও বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

পদুমশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মফিজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইসাহাক আলী, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ জাকিরুল ইসলাম এবং মমতা প্রকল্পের সমন্বয়কারি বাহারাম খান ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

মেলায় ২টি স্টল ও ১টি প্রদর্শনীর মাধ্যমে প্রকল্পের কার্যক্রম ও গর্ভবতী মা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবসেবা সংক্রান্ত বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

আলোচনা সভায়  অতিথিবৃন্দ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে সাঘাটা উপজেলাকে শুন্য বাড়িতে প্রসবকে নিশ্চিত করণে মমতা প্রকল্পের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

তারা বলেন, সাঘাটা উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে মমতা প্রকল্প ২৪/৭ নিরাপদ প্রসবসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ইতিমধ্যে পদুমশহর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি সারাদেশের মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রসবসেবা দানকারী প্রতিষ্টান গুলোর মধ্যে সেরা দশে অবস্থান করছে এবং মাত্র ২৩মাসে কেন্দ্রটিতে ১০১৬টি নিরাপদ প্রসবসেবা প্রদান করে বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রের খ্যাতি অর্জন করেছে। 

সেবাকেন্দ্রটির ব্যবস্থাপনা, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও সেবাদানকারীগণের আন্তরিকতার ফলে স্থানীয় জনগণের মাঝে সাড়া ফেলেছে। অতিথিগণ মমতা প্রকল্পের এই মহৎ উদ্যোগকে প্রকল্প মেয়াদ শেষেও গুণগত মান বজায় রেকে ধারাবাহিকতা রক্ষায় সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং আশা করেন যে, আজকের এই ব্যতিক্রম ধর্মী মেলাটি প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবসেবায় জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে সাঘাটা উপজেলায় মা ও শিশু মৃত্যুহার হ্রাসের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়