বৃহস্পতিবার   ১৮ জুলাই ২০২৪ || ২ শ্রাবণ ১৪৩১

প্রকাশিত : ২০:৩০, ২৭ নভেম্বর ২০২৩

আপডেট: ২০:৫৪, ২৭ নভেম্বর ২০২৩

উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে যাওয়া সুন্দরগঞ্জের ইতিকথা

স্বাদে ভরা রসমঞ্জুরীর ঘ্রাণ, চরাঞ্চলের ভুট্টা-মরিচ গাইবান্ধার প্রাণ। নদী আর চরবেষ্টিত গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জকে এভাবেই বর্ণনা করা হতো।  এক সময়ের অবহেলিত সেই সুন্দরগঞ্জ যেন আজ উন্নয়নের ছোঁয়ায় আরও বেশি সুন্দর হয়েছে।

২০০৯ সালের পরবর্তী সময়ে অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়। যেই চরকে এক সময় এই এলাকার মানুষ অভিশাপ মনে করত সেই চরে বাস্তবায়ন শেষে সগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প, ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন “তিস্তা সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট”। শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন, যোগ হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। যার সুফল পাচ্ছে পুরো বাংলাদেশ। যোগাযোগ ব্যবস্থায় আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে সুদরগঞ্জবাসী। নির্মিত হচ্ছে লাখো মানুষের স্বপ্নের দ্বিতীয় তিস্তা সেতু। যেই সেতুর বদৌলতে বদলে যাবে স্থানীয় অর্থনীতি। সেতুর কাজ শেষ হলে এটি হবে উত্তরাঞ্চলের নদীপারের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। যোগাযোগের পথ সুগম হবে গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুরের মানুষের।

সুন্দরগঞ্জে বাস্তবায়িত হয়েছে শতভাগ বিদ্যুতায়ন, স্বাস্থ্যখাতে এসেছে আমূল পরিবর্তন, শিক্ষার আলো পৌঁছেছে প্রতিটি ঘরে।

আজ সুন্দরগঞ্জ একটি আদর্শ উপজেলা। বিভিন্ন উপজেলার সাথে সমানে তাল মিলিয়ে চলেছে উন্নয়নের মহাযজ্ঞ। উল্লেখযোগ্য নির্মাণগুলোর মধ্যে রয়েছে, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, শিবরাম আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাচীয়া চরকের হাট- বাজার, ধর্মপুর টু পাঁচপীর রোড, বজরা কঞ্চিবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ল্যাংগা খাল খনন, সুন্দরগঞ্জে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক গৃহহীনদের জন্য ঘর প্রদান।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় একসময়ের এই অবহেলিত জনপদ আজ উন্নয়নের আলোয় আলোকিত। আর উন্নয়নের এই ধারা অব্যহত রেখে স্মার্ট বাংলাদেশর গর্বিত অংশীদার হবে সুন্দরগঞ্জবাসী এটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

সর্বশেষ