মঙ্গলবার   ০৫ মার্চ ২০২৪ || ২১ ফাল্গুন ১৪৩০

প্রকাশিত: ১০:৪৯, ২৭ নভেম্বর ২০২৩

গাইবান্ধায় আমনের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষকরা

গাইবান্ধায় আমনের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষকরা
সংগৃহীত

গাইবান্ধায় চলতি রোপা আমন মৌসুমে বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকার পাশাপাশি রোগবালাই খুব একটা না হওয়াই পাকা ধানের শীষে যেনো দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। এ কারণে মাঠে ধান কাটা ও মাড়াই কাজে পুরো দমে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা।

গতকাল গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ধান কাটা ও মাড়াই কাজে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কৃষকদের ব্যস্ততার লক্ষ্য করা গেছে। কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে সঠিক সময়ে চাড়া রোপন, সার, বিষ ছিটানোসহ নিয়মিত পরিচর্যা ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার উপজেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকরা হাট-বাজারে যেন ভালো দাম পান এমনটা নিশ্চিত করতে উপজেলা কৃষি অফিসসহ-সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেন স্থানীয় কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি রোপা আমন মৌসুমে ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৬০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও আবাদ হয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৭২০ হেক্টর জমিতে । ইতিমধ্যে মাঠের প্রায় ৪০ শতাংশ ফসল কর্তন করা হয়েছে । জমিতে উফশী (উচ্চ ফলনশীল) ব্রি ধান-৭৫, ব্রি ধান-৮৭, ব্রি ধান-৯০, ব্রি ধান-৯৪, বিনা ধান-১৭, স্বর্ণা ও জিরাশাইলসহ বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করা হয়েছে।

সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের এলাকার কৃষক মাকছুদ মন্ডল বলেন, প্রায় ৭ বিঘা জমিতে হাইব্রিড জাতের ধান চাষাবাদ করেছেন। এতে সার, বিষ, পানি ও লেবার খরচ হয়েছে ১০ হাজার টাকা। এতে ধান পেয়েছেন প্রতি বিঘায় ২৫ মন করে মোট ধান। এগুলোর মধ্যে কাটা মাড়াইয়ে খরচ হয়েছে প্রতি বিঘায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাকা।

গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ খোরশেদ আলম বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি অফিসের তত্ত্বাবধানে কৃষকদের বিভিন্ন সময়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে । ফলে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে বাম্পার ফলন হয়েছে ।

 

সর্বশেষ

জনপ্রিয়