শনিবার   ১৫ জুন ২০২৪ || ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

প্রকাশিত: ০৬:০৮, ১৬ আগস্ট ২০২৩

বই জীবনে একবার হলেও পড়ে দেখুন যে ৫ বই

বই জীবনে একবার হলেও পড়ে দেখুন যে ৫ বই

সারাদিনে যদি ৬ মিনিট সময় নিয়ে বই পড়া হয়, তাহলে তা আমাদের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে; এক গবেষণার ফলাফলে এমন তথ্য জানা গেছে। যে পাঁচটি বই জীবনে অন্তত একবার হলেও পড়া উচিত, এই বইয়ের নামগুলো আজ জেনে নেয়া যাক-

জর্জ এলিয়টের ‘মিডলমার্চ’

বইটি এলিয়টের মাস্টারপিস হিসাবে বিবেচিত, উপন্যাসটি' মিডলমার্চ' নামে একটি কাল্পনিক শহরের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের জীবন নিয়ে। বইটি ১৯শতকে লেখা হলেও এতে রয়েছে অবিশ্বাস্যরকম আধুনিকতা বোধ।বইটিতে স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির সীমাবদ্ধতা এবং এই পৃথিবীতে একজন নৈতিক ব্যক্তি হয়ে ওঠার পথে সংগ্রামের ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

লিও টলস্টয়ের ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’

টলস্টয়ের মহাকাব্যটি রাশিয়ার নেপোলিয়ন যুগকে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্র এবং হোম ফ্রন্টের মধ্যে তিনটি কুখ্যাত চরিত্রকে ঘিরে গল্প তৈরি হয়েছে। টলস্টয় এই বইটিতে সেনাবাহিনী এবং অভিজাতদের উপর যুদ্ধের প্রভাব কেমন হয়, সেটা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

স্টিফেন কিং এর ‘দ্য স্ট্যান্ড’

দ্য স্ট্যান্ড বইটি হল একটি পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপটিক হরর-ফ্যান্টাসি ঘরানার বই। এখানে বায়োলজিক্যাল ওয়ারফেয়ার বিভিন্ন অসুখ বিসুখের দ্রুত পরিবর্তনশীল জীবাণু নিয়ে গবেষণা করার কথা বলা হয়েছে। দুর্ঘটনাক্রমে সেই জীবাণুগুলো একদিন একটি সুরক্ষিত গবেষণাগার থেকে বের হয়ে যায়, এবং এই মহামারিতে বিশ্বের ৯৯ শতাংশেরও বেশি মানুষ মারা যায়।

হারম্যান মেলভিলের ‘মোবি-ডিক (দ্য হোয়েল)’

বইটি আমেরিকান লেখক মেলভিলের এক অনবদ্য সৃষ্টি। মোবি-ডিকের গল্প তার কেন্দ্রীয় চরিত্র আহাবকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। আহাব হলেন, হোয়েলিং শিপ 'পিকোড'এর ক্যাপ্টেন। তিনি একটি বিশালাকার হোয়াইট স্পার্ম তিমির বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠেন।

গল্পের বর্ণনাকারী হলেন ইসমায়েল নামে এক নাবিক।বইটি অদ্ভুত, মজার ও গভীর অর্থবহ। এটি আমেরিকার অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস হিসাবে বিবেচিত হয়।

হানিয়া ইয়ানাগিহারার ‘আ লিটল লাইফ’

এই বইটি ম্যান বুকার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়। উপন্যাসটি চার বন্ধুর জীবনের গল্পকে ঘিরে। কলেজ থেকে স্নাতক শেষ করে তারা অনেক বড় স্বপ্ন নিয়ে নিউ ইয়র্ক সিটিতে যায়। গল্পটি বেশ কষ্টের এবং মন খারাপ করে দেওয়ার মতো। বইটিতে কয়েক দশকের ঘটনা বলা হয়েছে, বইটির শেষ পৃষ্ঠাগুলো পড়ার সময় আপনার কান্না আসবেই।

দৈনিক গাইবান্ধা

সর্বশেষ

সর্বশেষ