বুধবার   ২২ মে ২০২৪ || ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

প্রকাশিত: ০৬:৪৩, ২৮ মে ২০২৩

ইতালির উপকূলীয় দ্বীপ থেকে ৬০০ অভিবাসী উদ্ধার

ইতালির উপকূলীয় দ্বীপ থেকে ৬০০ অভিবাসী উদ্ধার

প্রতিদিনই উন্নত জীবনের আশায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অভিবাসীদের ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করে। এই যাত্রায় অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন। আবার অনেকেই আছেন কারাগারে। তবুও অভিবাসীদের ইউরোপ যাত্রা কোনো ভাবেই থামানো যাচ্ছেনা। এবার ইতালির উপকূল থেকে প্রায় ৬০০ অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৭ মে) ইতালির সিসিলি দ্বীপের কাছে একটি যাত্রীবাহী নৌকা থেকে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়। 

উদ্ধারকৃতদের মধ্যে অনেক নারী ও শিশুও রয়েছে। নৌকাটিতে ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছিল। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

এতে বলা হয়েছে, শনিবার ইতালির সিসিলি দ্বীপের কাছে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি নৌকায় যাত্রা করা প্রায় ৬০০ অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ)-এর পরিচালিত একটি জাহাজে তাদের উদ্ধার করা হয় বলে সংস্থাটি টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের জিও ব্যারেন্টস নামের ওই জাহাজটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করার সময় উদ্ধার কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার জন্য ডাকা হয়। এক টুইট বার্তায় এমএসএফ জানিয়েছে, ‘তিন ঘণ্টার অপারেশনের পর নারী ও শিশুসহ ৫৯৯ জন জীবিত অভিবাসীকে নিরাপদে উদ্ধার করে জাহাজে নেওয়া হয়েছে।

ইতালীয় প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো জর্জিয়া মেলোনির প্রশাসনের সমালোচনা করে বলেছে, অভিবাসীদের উদ্ধার করা হয় এমন এলাকা থেকে প্রায়শই অনেক দূরের বন্দর বরাদ্দ করে ইতালীয় সরকার।

ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত রেকর্ডসংখ্যক ৪৭ হাজারেরও বেশি অভিবাসী ইতালিতে পৌঁছেছেন। ২০২২ সালের একই সময়সীমায় এই সংখ্যা ছিল প্রায় ১৮ হাজার। উল্লেখ্য, সমুদ্রপথে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টাকারী অভিবাসীদের জন্য ইতালি অন্যতম প্রধান এক প্রবেশপথ। কেন্দ্রীয় ভূমধ্যসাগরীয় এই রুটটি বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক হিসেবে পরিচিত। ২০১৪ সাল থেকে মধ্য-ভূমধ্যসাগরে ২০ হাজারেরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন।

দৈনিক গাইবান্ধা

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

সর্বশেষ