• সোমবার   ১৫ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ৩১ ১৪২৯

  • || ১৬ মুহররম ১৪৪৪

ঝালকাঠিতে পেয়ারার বাম্পার ফলন; কোটি টাকা বিক্রির প্রত্যাশা

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ২৩ জুলাই ২০২২  

পদ্মাসেতু হওয়া দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য নেওয়া যাচ্ছে ঝালকাঠির পেয়ারা। ফলে ভাল দাম পেয়ে খুশি জেলার পেয়ারা চাষিরা।

ঝালকাঠি কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এ বছর জেলায় ৬২৯ হেক্টর জমিতে পেয়ারার চাষ হয়েছে। এবার উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার মেট্রিকটন।

ঝালকাঠি জেলার ৯৫ ভাগ পেয়ারার চাষ হয় ঝালকাঠি সদর উপজেলার কীর্ত্তিপাশা, নবগ্রাম ও গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে। এর মধ্যে কীর্ত্তিপাশার ভীমরুলী, খেজুরা, ডুমরিয়া, মীরাকাঠি, খোদ্দবড়হার, নবগ্রামের শতদশকাঠি, জগশীদপুর ও শাখাগাছি গ্রামের প্রায় শতভাগ পরিবার পেয়ারা চাষের সাথে সম্পৃক্ত।

জানা যায়, শত বছরের বেশি সময় ধরে এ অঞ্চলের মানুষ পেয়ারা চাষের সাথে যুক্ত। এখানকার চাষিরা বাগান থেকে পেয়ারা সংগ্রহ করে নৌকায় করে পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন। পরে পাইকাররা ট্রাকযোগে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিক্রি করেন ঝালকাঠির বিখ্যাত এ পেয়ারা।

এদিকে, জেলার ভীমরুলী খালে পেয়ারার সবচেয়ে বড় ভাসমান হাট বসেছে। শ্রাবণ মাসের প্রথম থেকে ভাদ্রমাস পর্যন্ত পেয়ারার মৌসুম। এ সময় প্রতিদিনই এখানে পেয়ারা বিক্রি হয়।

বর্তমানে মন প্রতি পেয়ারা পাইকারি ৪৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক মৌসুমে কয়েক কোটি টাকার পেয়ারা বিক্রি হয় এ ভাসমান হাটে।

ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. মনিরুল ইসলাম জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাই এবছর ফলনও ভালো হয়েছে।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা