• শনিবার   ০৮ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ২২ ১৪২৯

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

করলার বাম্পার ফলন, চাষিদের মুখে হাসি

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ১৯ জুলাই ২০২২  

স্বাদে তেতো হলেও করলা এখন কুমিল্লার চাষিদের মিষ্টি হাসির কারণ। সদর উপজেলার লালমাই পাহাড়ের ঢাল ও সমতল ভূমিতে রয়েছে করলার মাচা। মাচায় মাচায় ঝুলছে করলা। চাষিরা মাচা থেকে করলা সংগ্রহ করে শ্রমিকদের মাধ্যমে তা ঝুড়িতে সাজিয়ে বাজারে পাঠাচ্ছেন। সবুজ পাতায় ছেয়ে গেছে করলার মাচা গুলো। তা দেখে ‍খুশিতে চাষিদের চোখ জুড়িয়ে যায়। গতবারের তুলনায় এবার ফলন ভালো হওয়ায় চাষিরা অনেক খুশি। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় করলা সরবরাহ হওয়ায় চাষিরা লাভের মুখ দেখছেন।

বিভিন্ন এলাকার চাষিরা তাদের করলা নিয়ে আসেন নিমসার বাজারে এবং পাইকাররা তাদের থেকে প্রতি মণ ১০০০-১২০০ টাকা দরে কিনে নেয়। তারপর ট্রাকে করে নিয়ে যায় বিভিন্ন গন্তব্যে।

নিমসার বাজারে করলা কিনতে আসা ঢাকার কাওরান বাজারের সবজি ব্যবসায়ী করিম হোসেন বলেন, এখানকার করলার গুনগত মান খুব ভালো। কুমিল্লার করলা ঢাকায় সরবরাহ করে ভালোই লাভ হচ্ছে বলে অনেক বছর যাবত এখান থেকে করলা কিনে নিয়ে যাচ্ছি।

লালমাইয়ের করলা চাষি মোহন বলেন, গত কয়েক বছরের মতো এবারও করলা চাষে সফল হয়েছি। নিমসার বাজার থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০০-১৫০ টন করলা সারা দেশে সরবরাহ করা হয়।

লালমাইয়ের আরেক কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি ১৫ বছর যাবত সবজি চাষ করছি। করলা চষে ভালো ফলন ও অনেক লাভ হয়। এবার ৩৬ শতক জমিতে করলা চাষ করেছি। এতে প্রায় ৩০ হাজার টাকার মতো ব্যয় হয়েছে। এবছর ৬০-৭০ হাজার টাকার করলা বিক্রি করতে পারবো। করলা পাইকারি ৩৫-৪০ টাকা এবং খুচরা ৫০-৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আইউব মাহমুদ বলেন, লালমাই পাহাড় এলাকার ৯০ হেক্টর জমিতে করলার চাষ হয়েছে। পানি জমে না এমন উঁচু-মাঝারি জমিতে করলার ভালো চাষ হয়। কৃষি বিভাগ সব ধরনের সহযোগীতা ও পরামর্শ দিয়ে চাষিদের পাশে আছে।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা