বুধবার   ১৯ জুন ২০২৪ || ৬ আষাঢ় ১৪৩১

প্রকাশিত: ১৭:২৪, ১৪ নভেম্বর ২০২৩

আপডেট: ১৮:২২, ১৪ নভেম্বর ২০২৩

সুন্দরগঞ্জে যুবলীগ নেতাকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

সুন্দরগঞ্জে যুবলীগ নেতাকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ
সংগৃহীত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে হাত-পায়ের রগ কেটে যুবলীগ নেতা জাহিদুল ইসলামকে (৩৮) হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে যুবলীগ। মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ছাইতানতলা বাজারে বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা যুবলীগ এ সমাবেশের আয়োজন করেন। প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মতিউর রহমান বাদশা।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান লিটুর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল পারভেজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিসেস আফরুজা বারী, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম সরকার লেবু, জেলা যুবলীগের সভাপতি সরদার মো. শাহীদ হাসান লোটন, সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আসহান হাবিব রাজিব, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য রফিকুল ইসলাম সুমন, সৈয়দ নিয়ামুল ইসলাম নিয়ন, আজমীর শেখ, নিহত জাহিদুল ইসলামের বাবা আবুল হোসেন মেম্বার প্রমূখ। এতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, যুবলীগ নেতা জাহিদুল ইসলামকে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। এদিকে, যুবলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের পর থেকে উপজেলাজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। তবে এখন পর্যন্ত কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

রোববার (১২ নভেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে জাহিদুল ইসলাম ও কবির মিয়া মোটরসাইকেলে করে বামনডাঙ্গা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। ফেরার পথে সুন্দরগঞ্জ-বামনডাঙ্গা সড়কের শাখা মারা ব্রিজ এলাকায় এলে সাত-আটজন তাদের গতিরোধ করে হামলা চালায়। এসময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে জাহিদুলের হাত-পায়ের রগ কেটে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। আর লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয় তার সঙ্গে থাকা কবিরকে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। এরমধ্যে জাহিদুল ইসলামের অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ভর্তির পর রক্তক্ষরণ হওয়ায় মৃত্যু হয় তার। নিহত জাহিদুল ইসলাম উপজেলার সোনারায় ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি ওই ইউনিয়নের পশ্চিম বৈদ্যনাথ গ্রামের আবুল হোসেন মেম্বারের ছেলে।

সর্বশেষ

সর্বশেষ