• বুধবার   ১০ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৬ ১৪২৯

  • || ১১ মুহররম ১৪৪৪

গাইবান্ধায় কর্ম ব্যস্ততায় দিন কাটছে কামারপল্লীর কারিগরদের

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ২ জুলাই ২০২২  

ক্ষুদ্র লৌহজাত শিল্পের উপর নির্ভরশীল গাইবান্ধার ামারশালাগুলোর কারিগররা। বছর ঘুরে পবিত্র ঈদুল আযহা এলেই লোহার নানা জিনিসপত্র তৈরির টুং টাং শব্দে মুখর হয়ে ওঠে এ শহর ও গ্রামের কামারপট্টি । ঈদে কোরবানী পশু জবাই এর হাতিয়ার তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাইবান্ধার কামাররা।

কোরবানীর জন্য বিশেষ তলোয়ার, দা, বিভিন্ন সাইজের চাকু, ছোড়া ও বটির এখন ভীষণ চাহিদা। আবার কেউ পুরনো দা, বটি, ছুরি সান দিচ্ছেন। তবে বিগত সময়ের তুলনায় এসব সরঞ্জামাদীর দাম বেড়েছে প্রায় দ্বি-গুন। ফলে রাতদিন কাজ চলছে এখন কামারশালাগুলোতে।
ঘনিয়ে এসেছে কোরবানী ঈদ তাই দম ফেলার ফুসরত নেই কামারশালার কারিগরদের। তবে সময়মত তৈরি করা সব সরঞ্জামাদী বিক্রি করতে পারবে কিনা সেই শঙ্কাও রয়েছে এসব ক্ষুদে ব্যবসায়ীদের।

গ্রাহকদের চাপের কারণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। একটুখানি অবসরের সময় যেন নেই তাদের হাতে। সব-সময় কাজ আর কাজ। কাজের মধ্য দিয়েই সময় কাটছে কামারদের।জেলার বিভিন্ন কামারশালা ঘুরে দেখা গেছে, কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলার কামারগণ। সারাবছর কাজ না থাকলেও কোরবানীর ঈদের এ সময়টা বরাবরই ব্যাস্ত থাকতে হয় তাদের। পশু জবাইয়ের সরঞ্জামাদী কিনতেও লোকজন ভীড় করছেন। কামারের দোকানগুলোতে শোভা পাচ্ছে গরু জবাইয়ের বিভিন্ন উপকরণ।

ছোট ছুরি থেকে শুরু করে বড় ছুরি ও চাপাতি সান দেয়ার জন্য ৩০টাকা থেকে কাজের গুণাগুণের ওপর ভিত্তি করে ৬০ থেকে ১০০টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়। এছাড়া প্রতিটি দা ২শ’ টাকা, ছোট ছুরি ৫০টাকা, বটি ১৫০শ’ টাকা, চাপাতি ৪০০-৫০০ টাকা করে বিক্রি করা হয় বলে জানান শহরের আল-মদিনা মার্কেটের কুদ্দুস কামার।

তিনি জানান, এখন অনেকেই লোহা এনে দা, চাকু ও ছুরি বানিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ঈদ উপলক্ষ্যে লৌহজাত পন্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় কোরবানীর একটি ছোরা ৫শ থেকে ৬শ টাকা, বিভিন্ন সাইজের চাকু ৬০ থেকে ১১০ টাকা, বটি ২শ’ থেকে ৪৫০ টাকা, দা ৪শ থেকে ৬শ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের মহানন্দপুর এলাকার আব্দুল হামিদ জানান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, লোহা ও কয়লার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এসব হাতিয়ার তৈরি করতে খরচ বেশি হচ্ছে তাই অন্য বারের তুলনয় একটু দাম বেশি হবে ।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা