• সোমবার   ২৪ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১১ ১৪২৮

  • || ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

গাইবান্ধায় আমন চাষের লক্ষমাত্রা হাসিমুখ কৃষকের

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ৫ ডিসেম্বর ২০২১  

দফায় দফায় বন্যা না হওয়ায় গাইবান্ধায়।আবহাওয়া ভালো থাকায় চলতি আমন মৌসুমে গাইবান্ধার সাত উপজেলায় আমন চাষের লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। অত্যন্ত ভাল ফলন হওয়ায় কৃষকরা হাসিমুখে নবান্ন উৎসবে মেতে উঠেছে। ইতিমধ্যে ধান কাটামাড়াই শুরু হয়েছে। তবে দিনমজুর সংকটে হতাশায় উচ্চ ও মধ্য বিত্ত শ্রেনির কৃষকরা। অনেক কৃষক স্ত্রী পুত্র পরিজন নিয়ে ধান কাটামাড়াই করছে।আর কৃষিবিভাগ বলছে আমন ধান কাটামাড়াইয়ে দিনমজুরের তেমন একটা প্রভাব প্রভাব পড়বে না ।

বর্তমান বাজারে প্রতিমন ধান বিক্রি হচ্ছে ৯০০ হতে ১ হাজার টাকায়। উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল কবির জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় আমন চাষাবাদের লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। পাশাপাশি ফলনও ভাল হয়েছে। বিশেষ করে চরাঞ্চলে আমনের ফলন হয়েছে আশানুরুপ। দিন যতই যাচ্ছে, ততই উন্নত জাতের ধানের চাষাবাদ হচ্ছে। সে কারনে কৃষকরা ভাল ফলন পাচ্ছে। তিনি আরোও বলেন, আমন ধান কাটামাড়াইয়ে দিনমজুরের তেমন প্রভাব পড়ে না। কারন এসময় বৃষ্টি বাদলের সম্ভাবনা থাকে না।
উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে আমন চাষের লক্ষামাত্রা ছিল ২৮ হাজার ১০০ হেক্টর। সে স্থলে লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে ২৮ হাজার ৬০০ হেক্টরে দাড়িয়েছে। বিঘা প্রতি ফলন দেখা দিয়েছে ৪.৫০ মেট্রিক টন।
উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষক তারা মিয়া জানান, আমন চাষাবাদের শুরুতেই বৈরি আবহাওয়ার কারনে ভাল ফলন না হওয়ার আশঙ্কা ছিল। কিন্তু পরে আবহাওয়া ভাল থাকায় ভাল ফলন হয়েছে। তিনি ৫ বিঘা জমিতে আমন চাষাবাদ করেছে। তার দাবি প্রতিবিঘা জমিতে ১৫ হতে ১৬ মন ধান পাওয়া যাবে। বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে ৬ হতে ৭ হাজার টাকা। তিনি বলেন দিন মজুর সংকটে হতাশায় রয়েছি।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা