• মঙ্গলবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ১২ ১৪২৮

  • || ১৮ সফর ১৪৪৩

সাঘাটায় বর্ষা মৌসুম শুরুতেই যমুনায় ভাঙ্গন

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ৫ জুলাই ২০২১  

সাঘাটায় বর্ষা মৌসুম শুরুর সাথে সাথে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও অতি বৃষ্টিতে যমুনায় পানি বাড়ায় স্রােতের তীব্রতায় ভাঙ্গন শুরু হয়েছে ।

ইতি মধ্যে চরাঞ্চলে নিচু এলাকায় পানি প্রবেশ করে পাটসহ রবি ফসল নষ্ট হয়েছে। সব মিলে ভালনেই নদী পাড়ের মানুষগুলো।
জানা গেছে, উত্তরের জেলা গাইবান্ধায় প্রতি বছর নদী ভাঙ্গনে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ, হচ্ছে দরিদ্র, এবারে বর্ষা মৌসুম শুরুর সাথে সাথে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে যমুনায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্রােতের তীব্রতায় ভাঙ্গন শুরু হয়েছে ।

ইতি মধ্যে চরাঞ্চলে নিচু এলাকায় পানি প্রবেশ করে পাটসহ রবি ফসল নষ্ট হয়েছে। অনেকেই ভাঙ্গন আতঙ্কে বসতবাড়ির গাছ কেটে নিরাপদ স্থানে সড়িয়ে নিচ্ছেন। হুমকির মূখে রয়েছে হলদিয়া ইউয়িনের ৬টি গ্রামের দুই হাজার পরিবারের বসতভিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ করোনা সংকটে বারবার বসত ভিটা হারানো নদী পাড়ের মানুষদের কাজ কর্ম না থাকায় বিপাকে পড়েছেন তারা কোনো মতে নদীতে মাছ শিকার করে বাজারে বিক্রি করে জিবিকা নির্বাহ করছেন। আর অনেকেই চাতক পাখির মতো চেয়ে আছেন সরকারের দিকে ।

গত চার বছরে যমুনার ভাঙ্গনে প্রায় চার হাজার পরিবার নিঃস্ব হয়েছে। এক যুগ ধরে যমুনা নদী ভাঙ্গনের শিকার পরিবার গুলো, কেউবা অন্যের বাড়িতে আশ্রয়, কেউবা বাঁধের রাস্তায় ঝুপড়ি ঘড় উঠিয়ে দিনাতি পাত করছেন। এদিকে নদী ভাঙ্গন রোধে গত বছরের শেষের দিকে ৭শ ৯৮ কোটি টাকার প্রকল্প একনেকে পাশ হয়।

এলাকাবাসী ও জন প্রতিনিধিরা প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা নিকট দাবী জানান এ বর্ষা মৌসুমেই একনেকে পাশ হওয়া প্রকল্পের কাজ যেন শুরু করা হয়। উল্লেখ,গত বছর পানি উন্নয়ন র্বোড ভাঙ্গন ঠেকানোর জন্য হলদিয়া ইউনিয়নে বালুর জিও ব্যাগ ফেলানোর কাজ করেছেন, কিন্তু তাতে কিছুই হচ্ছেনা, স্রােতের তীব্রতায় দেবে যাচ্ছে।

হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ইয়াকুব আলী বলেন, প্রকল্পের কাজ হলে, অনেক মানুষের ঘড়বাড়ি ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা পাবে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মোখলেছুর রহমান জানান, এ বর্ষা মৌসুমেই একনেকে পাশ হওয়া প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা