বুধবার   ১৭ জুলাই ২০২৪ || ১ শ্রাবণ ১৪৩১

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত : ১২:৩৯, ১৪ জুন ২০২৪

কিডনি, লিভার, হৃদ-রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখবে করমচা

কিডনি, লিভার, হৃদ-রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখবে করমচা
সংগৃহীত

করমচা হলো টক স্বাদের ছোট আকৃতির একটি ফল। ইংরেজিতে একে Bengal currant বা Christs thorn বলা হয়। Carissa গণভুক্ত কাঁটাময় গুল্মজাতীয় করমচা উদ্ভিদটি এশিয়া আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে পাওয়া যায়। কাঁচা ফল সবুজ পরিণত অবস্থায় যা ম্যাজেন্টা লাল-রং ধারণ করে।

অত্যন্ত টক স্বাদের এই ফলটি খাওয়া যায়, যদিও এর গাছ বিষাক্ত। করমচার ঝোপ দেখতে সুন্দর। বর্তমানে এটি একটি বিলুপ্তপ্রায় গাছ।

করমচা ফল হিসেবে বেশ অবহেলিত হলেও এর পুষ্টিগুণ কিন্তু মোটেও অবহেলা করার মতো নয়! প্রতি ১০০ গ্রাম করমচায় রয়েছে- এনার্জি- ৬২ কিলোক্যালরি কার্বোহাইড্রেট- ১৪ গ্রাম প্রোটিন- ০.৫ গ্রাম ভিটামিন এ- ৪০ আইইউ ভিটামিন সি- ৩৮ মিলিগ্রাম রিবোফ্লেভিন- ০.১ মিলিগ্রাম নিয়াসিন- ০.২ মিলিগ্রাম আয়রন- ১.৩ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম- ১৬ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম- ২৬০ মিলিগ্রাম কপার- ০.২ মিলিগ্রাম করমচার নানা গুণাবলি আমাদের স্বাস্থ্যরক্ষায় নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

করমচা খাওয়ার উপকারিতা

(১) ভিটামিন-সি এবং পটাশিয়ামে ভরপুর এই ছোট্ট ফল শারীরিক ক্লান্তিভাব দূর করে এবং ভিটামিন-সি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

(২) নিয়মিত করমচা খেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে অনেকটাই। যাদের লিভার ও কিডনিজনিত সমস্যা রয়েছে তাঁরা এই সময়ে করমচা খেতে পারে। এতে অনেকটাই উপকার মেলে।

(৩) করমচা তে আছে পেক্টিন নামক একটি উপাদান। যা সব ধরনের ফলে পাওয়া যায় না। পেটের নানা সমস্যা দূর করতে এই উপাদান দারুণ কার্যকরী। সেইসঙ্গে এটি হজমশক্তি বাড়াতেও সহায়ক।

(৪) যাদের লিভার ও কিডনিজনিত সমস্যা রয়েছে তাদের নিয়মিত করমচা খাওয়া উচিত। করমচায় থাকা কপার কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে এবং এই উপাদানটি লিভার ও কিডনির ক্ষতকে সারিয়ে তুলে।

(৫) নিয়মিত করমচা খেলে তবে তা শরীরের প্রদাহ দূর করবে। কারণ উপকারী এই ফলে আছে প্রদাহ কমানোর কয়েকটি উপাদান। কোনো কারণে চোট বা আঘাত পেলে সেই ব্যথা দূর করতেও সাহায্য করে করমচা।

সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

সর্বশেষ