• শনিবার   ১০ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৯

  • || ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

৩০ বছর ফ্রিজে মানব ভ্রূণ, যেভাবে জন্ম নিল জমজ শিশু

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর ২০২২  

ভ্রূণ সৃষ্টির ৩০ বছর পর পৃথিবীতে জন্ম নিয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জমজ শিশু। গত ৩১ অক্টেবার রিচ্যাল রিডগেওয়ে ও ফিলিপ রিডগেওয়ে দম্পতির জমজ সন্তানের দায়িত্ব নেন।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ভ্রূণ দান কেন্দ্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কেন্দ্রটি বলছে, জমজ শিশুদের নাম লাইদিয়া ও তিমুথি রিডগেওয়ে রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ভ্রূণ হিমায়িত রাখার পর তারা বাস্তবে পৃথিবীর আলো দেখে। মেয়ে শিশু লাইদিয়ার জন্মের সময় ওজন ছিল আড়াই কেজি এবং ছেলে শিশু তিমুথির ওজন ছিল দুই কেজি ৯২ গ্রাম।

যারা ইন ভিট্রু ফার্টিলাইজেনের (আইভিএফ) মাধ্যমে সফলভাবে সন্তান জন্মদান করেন তাদের অতিরিক্ত ভ্রূণ দান করে থাকেন। এ জমজ শিশুরা ভ্রূণ দানের ফসল।

গত ৩০ বছর আগে অজ্ঞাত দম্পতি আইভিএফ ব্যবহার করেছিলেন। তারা অতিরিক্ত ভ্রূণ দান করেছিলেন। সেই ভ্রূণগুলোকে জিরো থেকে ২০০ ডিগ্রির নিচের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হয়েছিল।

১৯৯২ সালের ২২ এপ্রিলে ওয়েস্ট কোস্ট ফার্টিলিটি ল্যাবে ভ্রূণগুলো হিমায়িতকরা হয়। সেখানে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ভ্রুণগুলো ছিল। পরে ১৫ বছর পর ভ্রুণগুলো থেকে লাইদিয়া ও তিমুথির জন্ম হয়।

রিডগেওয়ে দম্পতি চারজন শিশু রয়েছে। তাদের বয়স যথাক্রমে ৮, ৬, ৩ ও প্রায় ২ বছর। তারা দানকৃত ভ্রূণ থেকে আরো সন্তান নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। যখন তারা বিশেষ বিবেচনার দাতা খুঁজছিলেন যাতে ভ্রুণের পিতা-মাতাতে না পাওয়া যায়। 

রিচ্যাল রিডগেওয়ে বলেন, আমরা পৃথিবীর দীর্ঘদিন হিমায়িত রাখার ভ্রূণ খুঁজছিলাম না। আমরা সে রকম ভ্রূণ খুঁজছিলাম যা অনেক আগের। এটি মনকে আনন্দ দেয় যে, তারা আমাদের সবচেয়ে বেশি বয়সী শিশু কিন্তু তারা আমাদের ছোট শিশু।

তিনি বলেন, যখন লাইদিয়া ও তিমুথিকে সৃষ্টিকর্তা জীবন দেন তখন আমার বয়স পাঁচ। সেই থেকে তিনি (সৃষ্টিকর্তা) সেই জীবন রক্ষা করে চলেছেন।

উল্লেখ্য, ২৭ বছর হিমায়িত থাকার পর ২০২০ সালে জন্ম নেন মোলি গিবসন। সেই সময়ে তিন সর্বোচ্চ বয়স্ক শিশুর রেকর্ড গড়েন। এখন লাইদিয়া ও তিমুথি সেই রেকর্ড ভেঙে শীর্ষে উঠে এসেছেন।

সূত্র- এনডিটিভি। 

 

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা