• বুধবার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ৬ ১৪২৮

  • || ১৩ সফর ১৪৪৩

ভারতীয় ধরনের বিরুদ্ধে বেশি কার্যকর মডার্নার টিকা

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ৩০ জুন ২০২১  

যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা ভারতীয় ধরনসহ নতুন সব ধরনের বিরুদ্ধে অনেক বেশি কার্যকর বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফার্মাসিউটিক্যাল ও জৈবপ্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিষ্ঠানটি। মডার্নার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন এমন ৮ জনের রক্তরস পরীক্ষা করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

 প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ভারতে শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাসের কাপ্পা ও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ও দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত বেটা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে অনেক বেশি কার্যকর মডার্নার টিকা।

মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে মডার্নার প্রধান নির্বাহী স্টিফেন বানসেল বলেন, গবেষণায় পাওয়া এমন সফলতার তথ্য আমাদের মাঝে অনেক বেশি উৎসাহ জোগাবে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার মডার্না উদ্ভাবিত করোনা টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয় ভারত। এই টিকা আমদানির জন্য দেশটির ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার (ডিসিজিআই) অনুমোদন চেয়েছিল ওষুধ সংস্থা সিপলা। মঙ্গলবার তাদের সেই আবেদনে ডিসিজিআই সাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছেন নীতি আয়োগের সদস্য ড. ভি কে পাল। তবে মডার্নার টিকা আপাতত জনসাধারণকে দেয়া হবে না। নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে মডার্নার টিকা দেয়া হবে।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর তৃতীয় পর্বের ট্রায়ালের তথ্য প্রকাশ্যে এনেছিল মডার্না, যেখানে ৯৪ দশমিক ১ শতাংশ কার্যকারিতার দাবি তুলেছিল ওই প্রতিষ্ঠান।

গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর মডার্নাকে প্রথম আপৎকালীন অনুমোদন দেয় যুক্তরাষ্ট্র। কানাডা অনুমোদন দেয় ২৩ ডিসেম্বর। এরপর অনুমোদন দেয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

বিদেশ থেকে আসা টিকার ক্ষেত্রে সাধারণত ভারতে নতুন করে ট্রায়ালের ব্যবস্থা করা হয়। তবে মডার্নার ক্ষেত্রে কেন আগে ট্রায়াল করা হচ্ছে না, তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন ভি কে পাল। তিনি জানান, টিকা আমদানি করার ক্ষেত্রে নীতিতে বদল এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

প্রথম ১০০ জন টিকাপ্রাপ্তকে নিয়ে একটি প্রতিবেদনও পেশ করে সিপলা। মডার্না একটি ‘এমআরএনএ’ টিকা, যা করোনার ডেল্টা ধরনের ওপর অধিক কার্যকর বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসন (এফডিএ), ইউরোপিয়ান এজেন্সি, জাপান ফার্মাসিউটিক্যাল এজেন্সি, ইউকে মেডিসিন অ্যান্ড হেল্থকেয়ার প্রোডাক্ট রেগুলেটরি এজেন্সি বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা- এসব সংস্থার মধ্যে যেকোনো চারটি সংস্থার অনুমোদন থাকলে ভারতে সেই টিকা ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছে কেন্দ্র। এ ক্ষেত্রে নতুন কোনো ট্রায়ালের প্রয়োজন নেই। দুটি ডোজে দেয়া হবে এই টিকা। এখন পর্যন্ত ভারতীয়দের তিনটি টিকা দেয়া হচ্ছে- কোভ্যাক্সিন, কোভিশিল্ড ও স্পুৎনিক-ভি।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা