• মঙ্গলবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ৫ ১৪২৮

  • || ১১ সফর ১৪৪৩

কোলন ক্যান্সার হওয়ার কারণ, লক্ষণ ও করণীয়

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ১ সেপ্টেম্বর ২০২১  

বয়স ৫০ পেরুলে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তবে ইদানিং অনেক তরুণরাও কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা গেলে কোলন ক্যান্সারও ভালো হয়।

তবে তার আগে আমাদের জানা জরুরি, কোলন ক্যান্সার কেন হয় এবং হলে করণীয় কি? চলুন তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক-

কোলন ক্যান্সারের কারণ

>> দীর্ঘস্থায়ী আলসারেটিভ কোলাইটিস রোগ।

>> ধূমপান ও মদ্যপান এই ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়।

>> অতিরিক্ত গরু বা ছাগলের মাংস খাওয়া, খাদ্যতালিকায় আঁশজাতীয় খাবারের অনুপস্থিতিতেও হয়ে থাকে।

>> পরিবেশ ও জিনগত কারণে বৃহদন্ত্র ও মলাশয়ে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা পাঁচ ভাগ বৃদ্ধি পায়।

>> বংশগত কারণে জিনের পরিবর্তন হতে পারে যা পরবর্তী সময়ে কোলন ক্যান্সারকে ত্বরান্বিত করে। এছাড়া কারো রক্তের সম্পর্কের কোনো আত্মীয়-পরিজন কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত থাকলে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

লক্ষণসমূহ

>> জন্ডিস

>> রক্তশূন্যতা

>> তীব্র পেটব্যথা

>> হঠাৎ ওজন হ্রাস

>> ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য

>> পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া

>> পেটের ভেতর থেকে খাবার উগড়ে আসা

প্রতিরোধ

>> মদ্যপান না করা

>> ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা

>> ধূমপান পরিহার করা

>> দৈনিক অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা

>> নিয়মিত ভিটামিন, মিনারেলযুক্ত খাবার গ্রহণ

>> রোগ নির্ণয়ের জন্য নিয়মিত স্ক্রিনিং বা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো

>> খাদ্য তালিকায় আঁশযুক্ত এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার রাখা

চিকিৎসা

কোলন ক্যান্সারের চিকিৎসা এক কথায় অপারেশন। অপারেশনের আগে বা পরে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। অপারেশনের সময় রেডিওথেরাপির ব্যবহার এখনো গবেষণাধীন।

যেকোনো ক্যান্সারের চিকিৎসায় একটি শব্দ বিশ্বে বহুল প্রচলিত, তা হলো (multidisciplinary approach) অর্থাৎ সার্জন, ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ, সাইকোথেরাপিস্ট, প্যাথলজিস্ট, ক্যান্সার কেয়ার নার্সসহ সবার মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয়ের জন্য।

একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন যে, ক্যান্সার কঠিন রোগ হলেও এর উপযুক্ত চিকিৎসা রয়েছে। রোগীদের সচেতনতা এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা