• শুক্রবার   ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২১ ১৪২৯

  • || ১১ রজব ১৪৪৪

আতা ফল চাষে সফল বাহাউদ্দীন, ৬ লাখ টাকা বিক্রি আশা!

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ১২ আগস্ট ২০২২  

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চেংগাড়া গ্রামের ব্যাংকার বাহাউদ্দীন আতা চাষে পেয়েছেন সফলতা। বাণিজ্যিকভাবে আতা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন তিনি। তার এই সফলতা দেখে এখন এলাকার অনেক তরুণরা আতা বাগান করার অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন।

বাহাউদদ্দীন বলেন, ৫ আগে ৪ বিঘা জমিতে শরিফা ফলের বাগান করি। স্থানীয়ভাবে বীজ সংগ্রহ করে তা রোপণ করি। প্রথম বছরে বাগানের পেছনে তার খরচ হয় মাত্র ২০ হাজার টাকা। পরের বছর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি । সে বছর বাগানে উৎপাদিত শরিফা স্থানীয় ফল বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে পান ৮০ হাজার টাকা। স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে বেশি লাভবান হওয়ায় আরো ৪ বিঘা জমিতে ফলটির বাগান করেছি। গত বছর ২০ হাজার টাকা খরচ করে পেয়েছি ৩ লাখ টাকা। 

তিনি আরও বলেন, অনুকূল আবহাওয়া আর নিজের অদম্য পরিশ্রম এবং কৃষি অফিসের পরামর্শে এবছর বাগানে প্রচুর ফল এসেছে। আর ১৫ দিন পর বাগান থেকে ফল সংগ্রহ শুরু হবে। এ বছর ৬ লাখ টাকার ফল বিক্রি হবে বলে আমি আশা করছি।

স্থানীয় ফল ব্যবসায়ী কাজল লতা বলেন, আতা ফল খেতে খুবই সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে এর চাহিদা ব্যাপক। বাগান থেকে ফল সংগ্রহ করে স্থানীয় বাজারে ও অন লাইনের অর্ডারে ঢাকাতে পাঠানো হয়। অনলাইনেও বেচা-কেনা বেশ ভালো হয়। বাগান থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে কিনে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি করি এই ফলটি। এতে লাভ হয় বেশি। 

গাংনী উপজেলা কৃষি অফিসার লাভলী খাতুন বলেন, আতা একটি বিলুপ্ত প্রায় দেশি প্রজাতির ফল। সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এ ফল আবাদে খরচ অনেক কম ও রোগ বালাই একেবারই নেই। এই ফল বাজারে বিক্রি করে প্রচুর লাভ করা যায়। মেহেরপুর জেলায় শুধুমাত্র গাংনী উপজেলার চেংগাড়া গ্রামের বাহাউদ্দীন এটির বাগান করেছেন। তাকে দেখে অনেক তরুণ আতা বাগানের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা