বুধবার   ১৭ জুলাই ২০২৪ || ১ শ্রাবণ ১৪৩১

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত : ১০:০৫, ৭ জুন ২০২৪

‘বাজেট সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি আরও সুদৃঢ় করবে’

‘বাজেট সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি আরও সুদৃঢ় করবে’
সংগৃহীত

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় উচ্চতর বরাদ্দ সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই)৷

বাজেট পরবর্তী  প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যনে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের অগ্রগতির বিষয়গুলোকে আমরা সাধুবাদ জানাই। স্বাস্থ্য খাতে মোট বাজেটের ৮ ভাগ এবং শিক্ষা খাতে মোট বাজেটের ১২ ভাগ বরাদ্দ করা হয়েছে। এটি স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষাগত সুযোগসমূহকে বর্ধিত করবে, যার ফলে দেশে একটি দক্ষ ও স্বাস্থ্যবান জনগোষ্ঠী তৈরি হবে; যা একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য বলে আমরা মনে করি৷

বিজ্ঞপ্তিতে এফআইসিসিআই বলেছে, প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট গভীরভাবে পর্যালোচনা করার পর আমরা সরকারের সমন্বিত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা তৈরির প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই; যা গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে ব্যবসার বৃদ্ধির জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করবে। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সামগ্রিক চাহিদা হ্রাস এবং বাজারের সরবরাহের দিকে নজর দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এই বাজেট অর্থনীতি স্থিতিশীল করার জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করবে বলে আমরা মনে করি।

বাজেটে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনীতি স্থিতিশীল করার জন্য বেশ কয়েকটি ব্যবস্থা কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে সুদের হার ৮.৫ ভাগ বৃদ্ধি করে কঠোর মুদ্রানীতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) এবং স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) হার যথাক্রমে ১০ ভাগ এবং ৭ ভাগ নির্ধারণ করা হয়েছে; যাতে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং সঞ্চয়কে উৎসাহিত করা যায়। এছাড়াও, প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মাধ্যমে কৃষি উৎপাদনশীলতা ২০ ভাগ এবং শিল্প উৎপাদন ১৫ ভাগ বাড়ানোর জন্য উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করা হয়েছে। এটি চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষা করবে এবং অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কর প্রশাসনের দক্ষতা এবং স্বচ্ছতা বাড়াতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ডিজিটালাইজেশনের জন্য সম্পদ বরাদ্দ অপরিহার্য। এই উদ্দেশ্যে ৫০০ মিলিয়ন টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে উন্নত তথ্য বিশ্লেষণ, ইলেকট্রনিক কর ফাইলিং সিস্টেম এবং করদাতাদের জন্য উন্নত ডিজিটাল ইন্টারফেস বাস্তবায়ন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই ডিজিটাল রূপান্তর বাজেটের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সমর্থন করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত বর্তমান ৮ ভাগ থেকে ১০ ভাগ বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

সর্বশেষ