• সোমবার   ১৫ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ৩১ ১৪২৯

  • || ১৬ মুহররম ১৪৪৪

দশ বছরে ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা বাণিজ্যের লক্ষ্য

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২২  

আগামী ১০ বছরে জোটভুক্ত উন্নয়নশীল আট দেশের মধ্যে বাণিজ্যের আকার ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করার আশা করছে ডি-৮ সিসিআই। ঢাকায় সংস্থাটির দুই দিনব্যাপী এক্সপোর প্রথম দিনে এ লক্ষ্যের কথা জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

গতকাল সোনারগাঁও হোটেলে উন্নয়নশীল আট দেশের জোট ডি-৮-এর ডি-৮ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডি-৮ সিসিআই) আয়োজিত ‘ডি-৮ ফোরাম অ্যান্ড এক্সপো-২০২২’-তে তিনি এসব কথা বলেন। এ জোটের সদস্য দেশগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ইরান, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ডি-৮ মিনিস্টারিয়ালের চেয়ারম্যান আব্দুল মোমেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এবং ডি-৮-এর সেক্রেটারি জেনারেল রাষ্ট্রদূত ইসিয়াকা আব্দুল কাদির ইমাম।

আব্দুল মোমেন বলেন, ডি-৮ভুক্ত দেশগুলোয় প্রায় ১৫০ কোটি মানুষের বসবাস, যার বেশির ভাগই তরুণ। বিশাল এ তরুণ জনশক্তিকে কাজে লাগাতে পারলে অনেক ভালো ফল আসবে। ডি-৮ বর্তমানে ২৫ বছর পার করছে। এ সময়ে সদস্যদের মধ্যে বাণিজ্য খাতে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। কিন্তু এটি যথেষ্ট নয়, আরো অনেক উন্নতির সুযোগ রয়েছে। কৃষিতে বেশি বেশি বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জোট সদস্য দেশগুলো তাদের লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে।

সালমান এফ রহমান বলেন, পৃথিবীতে কভিডের যে চ্যালেঞ্জ আসছে, তার পর পরই আসছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ। ডি-৮ তো বটেই, অন্য দেশগুলোকেও এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এক দেশ আরেক দেশকে সহযোগিতার মাধ্যমে এটি মোকাবেলা করতে হবে।

এছাড়া এ এক্সপোতে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধিতে বেশকিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তার মধ্যে স্থিরমূল্যের নিশ্চয়তা প্রদানপূর্বক সাপ্লাই চেইনে অস্থিরতা কমিয়ে আনা এবং নিরাপদ জীবিকা, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদে ভ্যালু চেইন ইন্টিগ্রেশন, অর্থনৈতিক খাতের সাইবার সিকিউরিটি, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেনস (এআই), ডেটা অ্যানালিটিকস এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল আইওটিতে প্রযুক্তির ব্যবহার, টেকসই, সার্কুলার ইকোনমি, শি-ট্রেডস, এমএসএমই, স্টার্ট-আপ ইকোসিস্টেম, ইনোভেশন, গ্রিন টেকনোলজি, ক্লাইমেট চেঞ্জ এবং ব্লু ইকোনমিকে ভ্যালু চেইন ইন্টিগ্রেশন বাস্তবায়নের জন্য অগ্রাধিকার ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা অন্যতম।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা