• শনিবার   ০৮ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ২২ ১৪২৯

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

পাঙ্গাশ থেকে ফিশ বার্গারসহ ১১টি পণ্য তৈরি!

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২২  

দেশের জনগোষ্ঠীর প্রোটিনের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে পাঙ্গাশ মাছ। আর মাছটির নষ্ট হওয়া ঠেকাতে এবং মাছে অনাগ্রহীদের আকৃষ্ট করতে বার্গার ও চাটনির মতো উপাদেয় খাদ্যপণ্য তৈরি করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গবেষকরা।

জানা যায়, দেশে চাহিদার তুলনায় পাঙ্গাশ মাছের সরবরাহ বেড়ে কমে যায় দাম। এতে মাছ চাষিরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হন। মাছ চাষিদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে পাঙ্গাশের অব্যবহৃত অংশ থেকে ১১টি পণ্য তৈরি করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের একদল গবেষক।

গবেষকদলের প্রধান ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ফাতেমা হক শিখা এবং আরেক অধ্যাপক মো. ইসমাইল হোসেন। গবেষণার সঙ্গে বিভাগের ১৪ জন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীও যুক্ত ছিলেন।

গবেষক অধ্যাপক ফাতেমা হক বলেন, পাঙ্গাশ থেকে তৈরি করা ১১টি পণ্য হলো ফিশ বার্গার, ফিশ আচার, ফিশ চাটনি, ফিশ কাটলেট, ফিশ সসেজ, ফিশ পাপড়, ফিশ ফ্লেক, ফিশ চিপস, ফিশ ম্যাকারনি-পাস্তা, ফিশ জেলাটিন ও ফিশ গ্লু। এসব মূল্য সংযোজিত পণ্যের প্যানেল টেস্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পরীক্ষা করা হয়। এ ছাড়া এসব পণ্য সংরক্ষণ করার পর খাদ্য উপযোগিতার বিষয়েও গবেষণা চালানো হয়।

গবেষক ইসমাইল বলেন, পণ্যগুলোর মধ্যে ফিশ বার্গারে ২০.৯৮, ফিশ আচারে ২২.৫০, ফিশ চাটনিতে ৬.৬৮, ফিশ কাটলেটে ১৮.৩৮, ফিশ সসেজে ১২.৫৪, ফিশ পাপড়ে ২৩.৯২, ফিশ ফ্লেকে ২৪.৫৬, ফিশ চিপসে ২৪.৮৭ এবং ফিশ ম্যাকারনি-পাস্তায় ২২.৭২ শতাংশ প্রোটিন রয়েছে।

পণ্যগুলোর সংরক্ষণ সম্পর্কে গবেষক ফাতেমা হক বলেন, পণ্যগুলোর মধ্যে শুকনা খাবারগুলো বায়ুশূন্য পলিথিনের ব্যাগে ৬ থেকে ৯ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। অন্যদিকে ভেজা খাবারগুলো ফ্রিজে ৩ থেকে ৪ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। এছাড়া ফিশ আচার এবং চাটনি প্রায় ১ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা