• বৃহস্পতিবার   ০৬ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২১ ১৪২৭

  • || ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

১৭

সরকারের উদ্যোগের ফলে ফিরে আসা প্রবাসীর সংখ্যা এখনো কম: শেখ হাসিনা

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ৯ জুলাই ২০২০  

সরকারের সময়োচিত কূটনৈতিক উদ্যোগের ফলে ফিরে আসা প্রবাসীর সংখ্যা এখনো কম বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আরো জানান, বিভিন্ন দেশে কর্মহীন হয়ে পড়া বাংলাদেশী কর্মীরা যাতে করোনা-পরবর্তী সময়ে আবার নিয়োগ পেতে পারে সে জন্য বিদেশের বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
সংসদে গতকাল বুধবার প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী শ্রমিকদের ব্যাপারে এসব কথা বলেন। তিনি এ ব্যাপারে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ করেন। সকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
সরকারি দলের বেনজীর আহমদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো হতে প্রবাসী শ্রমিকদের ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রয়েছে। তবে এ চাপ প্রশমিত করার জন্য আমাদের সরকার বিভিন্নমুখী কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আমাদের প্রতিবেশী অন্য দেশগুলোতে যেখানে লক্ষাধিক প্রবাসী শ্রমিক ফিরে এসেছেন, সেখানে আমাদের দেশে এখন পর্যন্ত মাত্র ২২ হাজার প্রবাসী শ্রমিক দেশে ফিরেছেন। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত সময়োচিত কূটনৈতিক উদ্যোগের ফলে ফিরে আসা প্রবাসীর সংখ্যা এখনো কম রয়েছে।
তিনি বলেন অন্তর্বর্তী সময়ে বিদেশের বাংলাদেশ মিশনের শ্রমকল্যাণ উইংয়ের মাধ্যমে আমরা দুস্থ ও কর্মহীন হয়ে পড়া প্রবাসী কর্মীদের মধ্যে প্রায় ১১ কোটি টাকার ওষুধ, ত্রাণ ও জরুরি সামগ্রী বিতরণ করেছি। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সরকার ফিরে আসা প্রবাসী কর্মীদের টেকসই পুনর্বাসনের লক্ষ্যে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ এবং প্রবাসীদের যথাযথ সহায়তা প্রদানের জন্য একটি ডাটাব্যাজ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যারা আবার বিদেশে যেতে সক্ষম তাদের জন্য উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়নের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। বিদেশে প্রবাসীদের চাকরি ধরে রাখা, নতুন নতুন প্রফেশনে যোগদান, কৃষিক্ষেত্রে নিয়োগ এবং তাদেরকে এন্টারপ্রেইনার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে চাকরিচ্যুত হয়ে কিংবা অন্য কোনো কারণে বিদেশফেরত কর্মীদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের জন্য আমরা ইতোমধ্যেই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের অনুকূলে ৫০০ কোটি টাকার বরাদ্দ অনুমোদন করেছি। এ ছাড়া, করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিদেশপ্রত্যাগত কর্মীদের এবং প্রবাসে করোনায় মৃত কর্মীর পরিবারের উপযুক্ত সদস্যকে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে স্বল্প সুদ ও সহজ শর্তে বিনিয়োগ ঋণ প্রদানের জন্য আমরা ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ২০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছি। এ সংক্রান্ত নীতিমালা ইতোমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে।
সংসদ নেতা বলেন, করোনা চলাকালীন পাসপোর্ট অধিদফতরে প্রাপ্ত ২ লাখ ১৫ হাজার আবেদনের বেশির ভাগ পাসপোর্ট মুদ্রণ করে আমরা বিদেশের বিভিন্ন মিশনে প্রেরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এ ছাড়া পাসপোর্ট না থাকার কারণে বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যাতে হয়রানির শিকার না হন সে জন্য যেসব পাসপোর্ট মুদ্রণের অপেক্ষায় রয়েছে তা দ্রুত মুদ্রণ করে প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে বিতরণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
যশোর-৩ আসনের কাজী নাবিল আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা জানান, করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে (১২ জুন পর্যন্ত) ১৪ হাজার ৯৫৭ জন প্রবাসী শ্রমিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। অধিকাংশ প্রবাসী শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ ও সিঙ্গাপুর থেকে ফেরত এসেছেন।
জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবপাচার রোধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে যারা ব্যবসা বাণিজ্য করছে প্রত্যেকের জন্য সরকার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। ব্যাংকে এখন তারল্য সঙ্কট নেই। যথেষ্ট অর্থ আছে। আমাদের রিজার্ভও ভালো। ৩৬ বিলিয়নের মতো রিজার্ভ রয়েছে। রেমিট্যান্সও আমাদের বেড়েছে যা কমে যাবে আশঙ্কা করা হয়েছিল। ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয়ার কারণে এটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এম আবদুল লতিফের (চট্টগ্রাম-১১) এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার প্রভাবে সারা বিশ্ব স্থবির হয়ে পড়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। দ্রুততম সময়ে সঠিক কৌশল অনুসরণ করায় এ পর্যন্ত দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, করোনার বিস্তাররোধে লকডাউন কার্যকর কৌশল হলেও এই পরিস্থিতি দীর্ঘকাল অব্যাহত থাকলে কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, মানসিক স্বাস্থ্য এবং সামাজিক শৃঙ্খলার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বিশাল অংশ দৈনিক মজুরির ওপর নির্ভরশীল। এই পরিস্থিতিতে কর্মহীনতা ও দরিদ্রতা লাগামহীন হারে বেড়ে অন্যান্য কারণে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই ক্ষয়ক্ষতি ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় এ দুয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে সমন্বিত জনস্বাস্থ্য প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।
‘বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিকথা’ প্রকাশ : মুজিবুল হক চুন্নুর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’র মতো ‘বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিকথা’ নামে আরেকটি বই প্রকাশ করা হবে। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিকথা’ একটা লেখা আছে। ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’র মতোই উনার জীবনবৃত্তান্ত নিয়ে কিছু লেখা। সেই লেখাগুলো আমি প্রস্তুত করেছি। তা প্রায় তৈরি হয়ে আছে। ওটা আমরা ছাপতে দেবো।
কুয়েতের নাগরিক হলে পাপলুর সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে : মানবপাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেফতার হওয়া লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলাম পাপলু সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাপলু কুয়েতের নাগরিক কি না তা কুয়েতের সাথে কথা বলে দেখব। আর যদি এটা হয় তাহলে তার ওই সিট হয়তো খালি করে দিতে হবে। যেটা আইন আছে সেটাই হবে। তার বিরুদ্ধ এখানেও তদন্ত করছি। গতকাল বুধবার সংসদে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ এ ব্যাপারে সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ফ্লোর নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে গতকাল সংসদের বৈঠকে দুপুরে হারুনুর রশীদ পয়েন্ট অব অর্ডারে সংসদ সদস্য পাপলুর বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিক হওয়ার তথ্য গোপনের অভিযোগ করে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ ছাড়া করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা ও অনিয়ম-দুর্নীতির প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি রিজেন্ট হাসপাতালে করোনার ভুয়া টেস্ট রিপোর্টের কথা উল্লেথ করে এসব দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।
পাপলুর বিষয়ে স্পিকারের উদ্দেশে হারুন বলেন, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিদেশী নাগরিকত্ব অর্জনকারী বা আনুগত্য গ্রহণকারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য নন। পত্র-পত্রিকার রেফারেন্স দিয়ে বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তিনি কুয়েতের নাগরিক হিসেবে সেখানে গ্রেফতার হয়েছেন। তিনি যদি সত্যি কুয়েতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে থাকেন তাহলে এ ব্যাপারে স্পিকার আপনাকে সুস্পষ্ট ব্যাখা দিতে হবে। কারণ পররাষ্ট্রমন্ত্রী তথ্য সংগ্রহ করেই বলেছেন। ইমিগ্রেশনে তিনি যে পাসপোর্ট ব্যবহার করে কুয়েতে গেছেন তা সরকারি পাসপোর্ট নয়। তাহলে নিঃসন্দেহে তিনি বিদেশী নাগরিক। পাপলু তথ্য গোপন করেছেন নির্বাচনের সময়। আজকে তিনি এই অপকর্মের সাথে জড়িত। সংবিধান অনুযায়ী যে দায়িত্ব আপনার, আশা করব এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ঘোষণা দেবেন।
বিএনপির এই সংসদ সদস্য একটি পত্রিকার প্রতিবেদনের শিরোনাম উল্লেখ করে ৫০ লাখ পরিবারকে সরকারি আর্থিক সহায়তার জন্য তালিকা তৈরিতে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। এ বিষয়ে কে কোন দলের তা বিবেচনায় না নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা প্রহণে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
জবাব দিতে দাঁড়িয়ে করোনার ভুয়া টেস্ট রিপোর্টের জন্য রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকেই ধরেছি। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে এবং অনিয়মগুলো খুঁজে বের করেছি। ইতোমধ্যে গ্রেফতারও করা হয়েছে। ওই হাসাপতালের এই তথ্য কিন্তু আগে কেউ দেয়নি, জানাতে পারেনি। সরকারের পক্ষ থেকেই আমরা খুঁজে বের করেছি, ব্যবস্থা নিয়েছি। র্যাব গেছে সেখানে, সেখান থেকে খুঁজে বের করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
পাপলু সম্পর্কে তিনি বলেন, যে সংসদ সদস্যের কথা বলা হয়েছে তিনি কিন্তু স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য। তিনি কিন্তু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দি¦তা করার জন্য নমিনেশন চেয়েছিলেন আমি দেইনি। তিনি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য। নির্বাচনে ওই সিট জাতীয় পার্টিকে দিয়েছিলাম। জাতীয় পার্টির নোমান নমিনেশন পেয়েছিলেন, তিনি নির্বাচন করেননি। ওই লোক জিতে আসে। আবার তার ওয়াইফকেও যেভাবে হোক এমপি করেছেন। তিনি কুয়েতের নাগরিক কিনা সেই বিষয়ে আমরা কুয়েতে কথা বলছি। সেটা দেখব। আর সেটা হলে তার ওই সিট হয়তো খালি করতে হবে। কারণ যেটা আইনে আছে, সেটাই হবে। তার বিরুদ্ধে আমরা দেশেও তদন্ত করছি।
করোনাকালে ত্রাণ সহায়তার দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, ৫০ লাখ পরিবারকে আমরা যে সহায়তা দিচ্ছি তাদের তালিকা বানানো হচ্ছে। সেই তালিকা তিন দফা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সেই সাথে তাদের আইডি কার্ড ভোটার লিস্টে নাম সবকিছু মিলিয়ে তথ্য নেয়া হচ্ছে। সবকিছু যাচাই করে যথাযথ যারা পাওয়ার তার কাছে টাকাটা পৌঁছে দিচ্ছি। এ প্রক্রিয়ায় আমাদের সময়ও লেগেছে। অন্য যে নামধাম আসছে, তা আমরা কেটেছেঁটে ফেলে দিচ্ছি।
অভিবাসীদের ওপর কোভিড-১৯ এর প্রভাব লাঘবের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বাসস জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল অভিবাসীদের ওপর করোনাভাইরাস মহামারীর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় সব দেশের অংশগ্রহণে একটি ‘জোরালো বৈশি^ক পদক্ষেপের’ আহ্বান জানিয়ে তিন দফা পরামর্শ উপস্থাপন করেছেন।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ভার্চুয়াল গ্লোবাল শীর্ষ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ভাইরাসটি বৈষম্যমূলক আচরণ করে না, তবে এর প্রতিকূল প্রভাবগুলো ঝুঁকিপূর্ণ লোকজন বিশেষত অভিবাসী ও মহিলা শ্রমিকদের ওপর মারাত্মক বৈষম্য সৃষ্টি করেছে।’
শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘আমাকে অবশ্যই বলতে হবে যে, এখন সব দেশ, সকল আন্তর্জাতিক সংস্থা, সুশীল সমাজ সংগঠন এবং বেসরকারিখাতের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি জোরালো ও সুসংহত বৈশি^ক পদক্ষেপ প্রয়োজন।’ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বৈশ্বিক নেতাদের দিবস শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থাপন করা তিন দফা প্রস্তাব হলো: প্রথমত এই সঙ্কটের সময় বিদেশের বাজারগুলোতে অভিবাসী কর্মীদের চাকরি বজায় রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত প্রতিষ্ঠান বন্ধের ক্ষেত্রে, ক্ষতিপূরণ এবং অন্যান্য সুবিধা পুরোপুরি প্রদান করার পাশাপাশি তাদের সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যসুবিধা নিশ্চিত করতে হবে এবং তৃতীয়ত মহামারীর পরে অর্থনীতি পুনরায় সক্রিয় করার জন্য এই শ্রমিকদের নিয়োগ দিতে হবে। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা এবং সঙ্কট মোকাবেলায় গৃহীত ব্যবস্থা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ গভীরভাবে আইএলওর সকল প্রচেষ্টার প্রশংসা করে।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা
জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর