বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৫ ১৪২৬   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৩০

শ্রমিক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় যারা

প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০১৯  

 
দীর্ঘ ৭ বছর পর শ্রমিকলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী শনিবার। সম্মেলনের তারিখ ঘোষণায় পর পরই প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনটিতে।

শ্রমিকলীগকে আরো সুচারুভাবে সাজাতে স্বচ্ছ, ত্যাগী, সাবেক ছাত্রলীগের নেতাদেরকে অগ্রাধিকার দেয়া হতে পারে জানা গেছে। 

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা বলেছেন, তারুণ্য নির্ভর, ত্যাগী ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতাকেই নেতৃত্ব আনা হবে। সে অনুযায়ী শ্রমিকলীগের শীর্ষ পদসহ বয়সের তারতম্যে বাদ পড়তে পারে অনেকেই।  সেই সঙ্গে টেন্ডার ও চাঁদাবাজি এবং ক্যাসিনো পরিচালনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত নেতাদের বিদায় করা শুরু হয়েছে আরো আগে থেকেই। এছাড়া বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকীরা যাতে পদে না পায় সে বিষয়েও সতর্ক অবস্থায় আওয়ামী লীগ।

শ্রমিকলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান আকন্দ বলেন, সংগঠন পরিচালনার জন্য আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকেই দায়িত্ব দেবেন। 

শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রায় সাত বছর পর জাতীয় শ্রমিকলীগের সম্মেলন হবে। সম্মেলনকে সমানে রেখে নতুন কমিটিতে স্থান পেতে পদপ্রত্যাশীরা ছুটছে শীর্ষ নেতাদের দ্বারে দ্বারে। 

প্রতিদিনই সংগঠনটির পদপ্রত্যাশী নেতাদের পদচারণায় মুখর থাকে ধানমণ্ডির সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় ও বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কারা আসতে পারেন সে বিষয়ে সাধারণ নেতাকর্মীরা করছেন আলোচনা-সমালোচনা।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব মোল্লা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ও শেখ হাসিনার আদর্শের রাজনীতি করি। নেত্রী যাকে সংগঠনের দায়িত্ব দেবেন তার সঙ্গে কাজ করে শেখ হাসিনার হাতকে ও শ্রমিকলীগকে আরো শক্তিশালী করা হবে।

২০১২ সালের সর্বশেষ জাতীয় শ্রমিকলীগের সম্মেলন হয়। সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক নেতা শুক্কুর মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক ব্যাংক ট্রেড ইউনিয়নের নেতা সিরাজুল ইসলাম। এদের নেতৃত্বে করা হয় আরো ৪৫টি সাংগঠনিক জেলার কমিটি। 

সভাপতি পদে আলোচনায় যারা

শ্রমিকলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান আকন্দ দীর্ঘদিন ঢাকা মহানগরের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং রেলওয়ে শ্রমিকলীগের শীর্ষ পদে দায়িত্বে ছিলেন। ১/১১ সময় শেখ হাসিনার কারামুক্তির আন্দোলনের সরাসরি অংশ নিয়েছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির, সহ-সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম চৌধুরী, শ্রমিকলীগের কার্যকরী সভাপতি ফজলুল হক মন্টু একাধিকবার শ্রমিকলীগের কার্যকরী সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন, সহ-সভাপতি আমিনুল হক ফারুক এর আগে শ্রমিকলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নওগাঁ থেকে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত এমপি ইসরাফিল আলম, এছাড়াও শ্রমিকলীগের সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম।

সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় যারা

শ্রমিকলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব মোল্লা, সফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আলম মিলকী, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক সুলতান আহমেদ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন মিয়া, শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কাউসার আহমেদ পলাশ, প্রচার সম্পাদক আজম, শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক আবদুল হালিম।

১৯৬৯ সালের ১২ অক্টোবর প্রতিষ্ঠা লাভ করে জাতীয় শ্রমিকলীগ। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই শ্রমিকলীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয়।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা
এই বিভাগের আরো খবর