• শনিবার   ০৪ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ১৯ ১৪২৭

  • || ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪১

১৬

লাদাখে যুদ্ধবিমান পাঠালো ভারত, বাজছে যুদ্ধের দামামা

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০২০  

ভারত নিয়ন্ত্রিত লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় এবার যুদ্ধবিমান নামাতে শুরু করেছে দেশটির বিমান বাহিনী। এরইমধ্যে লে ও শ্রীনগরের বিমান ঘাঁটি পরিদর্শন করে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন ভারতীয় বিমান বাহিনী প্রধান আর কে এস ভাদুরিয়া। দু’দিনের সফরে সেখানে গিয়েছেন তিনি। 

চীনের সঙ্গে উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে এরইমধ্যে ঘাঁটি দু’টিতে অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান মোতায়েন করানো হয়েছে। এছাড়া চূড়ান্ত সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে ভারতীয় বিমানবাহিনীকেও। যে কোনো রকম পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে তাদের।

সোমবার রাতে গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চিনের সেনা সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের পর বিমান বাহিনীর এই তৎপরতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা।

বৃহস্পতিবার ১২টি সুখোই এবং ২১টি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান চেয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাব জমা দিয়েছে ভারতীয় বিমান বাহিনী। যা কিনতে মোট ৫ হাজার কোটি রুপি খরচ হবে। গত দু’দশক ধরে ভারতীয় বিমান বাহিনীর মূল অস্ত্র হল রুশ যুদ্ধবিমান সুখোই।

সীমান্তের সম্মুখ ঘাঁটিগুলোতে আনা হয়েছে স্কোয়াড্রন সুখোই। এছাড়া আগামী মাসেই ফ্রান্সের তৈরি অত্যাধুনিক রাফায়েল যুদ্ধ বিমানও হাতে পাবে তারা।

এর আগে, প্রায় ৪৫ বছর পর সোমবার রাতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা অঞ্চলে চীনা হামলায় ভারতীয় সেনা জওয়ানের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গালওয়ান উপত্যকায় দু'দেশের জওয়ানদের তুমুল সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন ২০ জন ভারতীয় সেনাবাহিনীর জওয়ান। এছাড়া চীনেরও এক কমান্ডিং অফিসার-সহ অন্তত ৪৩ জন হতাহত হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, দু’পক্ষের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ হলেও গুলি চলেনি। ঘুষোঘুষি, পাথর ছোড়াছুড়ি হয়। পাশাপাশি চীনা জওয়ানরা কাঁটা দেয়া লাঠি নিয়ে আক্রমণ চালায় বলেও অভিযোগ। সোমবার রাতে কয়েক ঘণ্টা ধরে এই সংঘর্ষ চলেছে বলে জানা গেছে।

সোমবার রাতের ঘটনায় হতাহতের পাশাপাশি কতজন ভারতীয় সেনা নিখোঁজ তা নিয়েও জল্পনা চলছিল। ঘটনার তিনদিন পর গতরাতে ১০ জন ভারতীয় জওয়ানকে মুক্তি দিয়েছে চীন। তবে এরমধ্যেই বিমান মোতায়েন উত্তেজনা আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সীমান্তে যুদ্ধবিমান হামলা শুরু হলে দু’দেশের মধ্যে পূর্ণমাত্রায় যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। যা বর্তমান পরিস্থিতিতে চাইছে না ভারত-চীনের কেউই।

সূত্র: এএনআই, আনন্দবাজার

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা
আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর