• শনিবার   ২৮ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৪ ১৪২৭

  • || ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

যুদ্ধাপরাধী কায়সারের মৃত্যু পরোয়ানা জারি

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২০  

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার সাঈদ আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‌‌বুধবার বিকেলে আমরা রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি হাতে পেয়েছি। আজ তা প্রস্তুত করে মৃত্যু পরোয়ানা সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠিয়েছি।

ট্রাইব্যুনালের লাইব্রেরিয়ান তাপস রায় ও ডেসপাস শাখার রাসেল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, আইন মন্ত্রণালয় সচিব ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর এ পরোয়ানা পাঠান।

এর আগে আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পৌঁছায় লাল শালুতে মুড়ানো কায়সারের মৃত্যু পরোয়ানা। 

মৃত্যু পরোয়ানা জারির পর ট্রাইব্যুনাল থেকে তা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কারাগারে। সেই মৃত্যু পরোয়ানা কারাগারে পৌঁছানোর পর কারা কর্তৃপক্ষ আসামি সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারকে তা পড়ে শোনাবে।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে গত ১৪ জানুয়ারি সংক্ষিপ্ত রায় ঘোষণা করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

২০১৪ সালের ২৩ জানুয়ারি সৈয়দ কায়সারকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রায়ে সাতটি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড, চারটিতে যাবজ্জীবন ও তিনটিতে মোট ২২ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। সৈয়দ কায়সার ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। পরে আপিল বিভাগ তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ২০১৩ সালের ১৫ই মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এরশাদ সরকারের সময়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা কায়সারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। ওই রাতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা