• রোববার   ১৭ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৩ ১৪২৭

  • || ০৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

মন্দা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ইন্টেরিয়র ব্যবসা

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর ২০২০  

করোনাজনিত পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিনের মন্দাভাব কাটিয়ে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে ফ্ল্যাট-বাড়ি কেনাবেচার ব্যবসা। আর এতে গতি ফিরেছে ইন্টেরিয়র সেবা অর্থাৎ বাড়ির ভেতরের সাজসজ্জার ব্যবসায়। 

সংশ্লিষ্টদের মতে, করোনার ধাক্কা কাটিয়ে নতুন করে ফ্ল্যাট বিক্রি শুরু হওয়ায় এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কর্পোরেট অফিসগুলো চালু হওয়ায় ডাক পেতে শুরু করেছেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররা। আবার কেউ কেউ দীর্ঘদিনের জমে থাকা কাজ গ্রাহকদের বুঝিয়ে দিচ্ছেন।

আবাসন খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, আবাসন ব্যবসাতে নানা কারণে মন্দাভাব আগে থেকেই চলছিল। করোনার প্রভাবে ফ্ল্যাট, প্লট বিক্রি একেবারেই শূন্যের কোটায় চলে গিয়েছিল। তবে গত জুন-জুলাই থেকে ফ্ল্যাটের খোঁজ নিতে শুরু করেছেন ক্রেতারা।

জানতে চাইলে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) ভাইস প্রেসিডেন্ট কামাল মাহমুদ বলেন, করোনাকালীন অনিশ্চয়তা, ব্যাংকগুলোর লেনদেন বন্ধের কারণে মার্চের পর প্রায় চার মাস আবাসন খাতে স্থবিরতা ছিল। জুন থেকে আবাসন খাত চাঙা হতে শুরু করে। আর জুলাইয়ে অবস্থার আরো উন্নতি হয়েছে।

বনানীর ডিজাইন টাচ ইন্টেরিয়রের মালিক সারোয়ার আলম বলেন, করোনার আগে কিছু ক্লাইন্টের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হয়েছিল। সেই কাজগুলো আস্তে আস্তে চালু হয়েছে। করোনা সিচুয়েশনের পর আমি দুটি প্রজেক্ট পেয়েছি। দীর্ঘ সাত-আট মাস পর অবস্থা একটু ভালোর দিকে।

উত্তরার মাল্টি টেক ইন্টেরিয়র প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার তৌফিক আহমেদ বলেন, এক সময় শুধু অফিসের চেয়ারম্যানের কিংবা মিটিং রুম সাজানো-গোছানোর মধ্যেই ইন্টেরিয়রের কাজ সীমাবদ্ধ ছিল। এখন বাসা, অফিস স্পেস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ অনেক কিছুরই কাজ করানো হচ্ছে।

এদিকে ইন্টেরিয়র ম্যাটেরিয়ালস ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইন্টেরিয়র ডিজাইনের কাঁচামাল আমদানি নির্ভর হওয়ায় করোনার কারণে জোগানে ঘাটতি দেখা দেয়।

এ বিষয়ে বনানীর ক্রিস্টাল গ্লাসের ম্যানেজার সাজ্জাদ তপু বলেন, আগের তুলনায় আমাদের বিক্রি বেড়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে রাজধানীর বন্ধ হওয়া অনেক অফিস এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নতুন করে চালু হচ্ছে। তাই কাজের চাপও বাড়ছে।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা