• সোমবার   ১৩ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৯ ১৪২৭

  • || ২২ জ্বিলকদ ১৪৪১

৪৫

বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জের শীর্ষ ১০০ জনে ফুলছড়ির উদ্যোক্তা মনোয়ার

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২০  

বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জ ক্যাম্পেইনের ম্যাপিং কার্যক্রমে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা মনোয়ার হোসেন অবদান রাখায় শীর্ষ ১০০ জন তরুণের মধ্যে স্থান করে নেয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

তার এ সফলতার কারণে ক্যাম্পেইনের সমাপনি অনুষ্ঠানের ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত করা সহ পুরস্কার প্রদান করা হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, এটুআই এবং গুগলের সমন্বয়ে গ্রামীণফোনের উদ্যোগে এই ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়।

সম্প্রতি বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জ ক্যাম্পেইনে অবদান রাখা শীর্ষ ১০০ জন তরুণের মধ্যে স্থান করে নেয়ায় ডিজিটাল ম্যাপিং কার্যক্রমের সমাপনি অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তা মনোয়ার হোসেনকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত করা হয় এবং পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সহ দেশ বরেণ্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহন করেন।

ফুলছড়ি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা মনোয়ার হোসেন এর আগে সরকারের বিভিন্ন ডিজিটাল কার্যক্রমে অংশগ্রহন করে একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছেন। তিনি বলেন, চরাঞ্চলে বসবাস করেও বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জ ক্যাম্পেইনের ম্যাপিং কার্যক্রমে সফলতার সাথে নিজেকে তুলে ধরতে পেরে খুব ভালো লাগছে। ভবিষ্যতে সরকারের ডিজিটাল কার্যক্রমে তার ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

সংশ্লিষ্টদের দেয়া তথ্য মতে, গ্রাম ও শহরাঞ্চলের নাগরিক, স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি এবং ই-কমার্স ডেলিভারি এজেন্টদের ম্যাপ দেখে নির্দিষ্ট স্থান খুঁজে বের করার সহায়তায় গুগল ম্যাপস এবং ওপেন স্ট্রিট ম্যাপ আরও সমৃদ্ধ করতে ‘বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জ’ নামে ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়। এ কার্যক্রমে প্রায় ৩১ হাজার নিবন্ধনের মাধ্যমে এক লাখ ১০ হাজার ম্যাপ পোস্ট পাওয়া গেছে। অন্যদিকে ফেইসবুকে ৮ দশমিক ৫ মিলিয়নের বেশি রিচ এবং ৯৬ দশমিক ৭ মিলিয়নের বেশি ইমপ্রেশন পাওয়া গেছে। সারা বাংলাদেশের তরুণরা বাড়িতে অবস্থান করেই এই পুরো ম্যাপিং প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছে। ম্যাপিং কার্যক্রমে অবদান রাখা শীর্ষ ১০০ জন তরুণকে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে দুই মাসের জন্য ১০ জিবি (৫ জিবি ৩০ দিন + ৫ জিবি ৩০ দিন) ইন্টারনেট দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে শীর্ষ ২০০ জন ম্যাপার এটুআই-এর ‘একশপ’ প্লাটফর্মের সাথে কাজ করার সুযোগ পাবেন। সেই সাথে ৩১ হাজার রেজিস্টার্ড ম্যাপারকে ই-সার্টিফিকেট দেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। এ ক্যাম্পাইনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৫,০০০ হাসপাতাল, ১৬,০০০ ফার্মেসি এবং ২০,০০০ মুদি দোকান সন্নিবেশিত করার পাশাপাশি ৮৭০টি রাস্তা ম্যাপে যুক্ত হয়েছে। ডিজিটাল ম্যাপ হালনাগাদ করার কারণে ই-কমার্স ডেলিভারি সুবিধা তৈরির সাথে সাথে অসংখ্য নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে শহর ও গ্রামের দূরত্ব কমিয়ে আনতে এই ম্যাপিং কাজে লাগবে এবং দীর্ঘমেয়াদে জাতিকে নানাভাবে সহযোগিতা করবে।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা
গাইবান্ধা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর