• শনিবার   ১৫ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ৩০ ১৪২৭

  • || ২৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

২১

পলিটেকনিকে ভর্তিতে বয়সের সীমা থাকবে না : শিক্ষামন্ত্রী

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ২ জুলাই ২০২০  

শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বলেছেন, বর্তমান সরকার চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ৪১ বাস্তবায়নে কারিগরি শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিদেশ ফেরত দক্ষ কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়ার জন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোন রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না।

বুধবার কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন সংক্রান্ত ভার্চুয়াল মিটিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীনের সভাপতিত্বে এই মিটিংয়ে যুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমেদ, কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মোঃ সানোয়ার হোসেন, মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর কায়সার আহমেদ, কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মোঃ মুরাদ হোসেন মোল্লাসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তারা।

মন্ত্রী বলেন, অনেকের হয়ত প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা আছে কিন্তু তার প্রাতিষ্ঠানিক কোন সার্টিফিকেট নেই এবং সার্টিফিকেট না থাকার কারণে ভাল চাকরি পাচ্ছে না অথবা চাকরি পেলেও ভাল বেতন পাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি যদি চায় এবং যদি তার প্রয়োজনীয় একাডেমিক যোগ্যতা থাকে তাহলে সে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হতে পারবে।

মিটিংয়ে তিনি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে ছেলেদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা জিপিএ ৩.৫ থেকে কমিয়ে ২.৫, মেয়েদের ক্ষেত্রে জিপিএ ৩ থেকে কমিয়ে ২.২৫ করার সিদ্ধান্ত দেন। পাশাপাশি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি ফি এক হাজার ৮২৫ টাকা থেকে এক হাজার ৯০ টাকা করার সিদ্ধান্ত দেন।

মন্ত্রী এ মাসের মধ্যে কারিগরি মাদ্রাসা বিভাগের শিক্ষকদের এমপিওর অর্থ ছাড় করার ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন ।

মিটিংয়ে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের নীতিমালা, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতর আইন ২০২০ ও এর নিয়োগবিধি প্রণয়নসহ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

এবতেদায়ি শিক্ষকদের মানববন্ধন ॥ দীর্ঘদিন ধরেই স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসা সরকারীকরণের দাবি জানাচ্ছেন শিক্ষকরা। করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেও বুধবার একই দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছেন তারা। বংলাদেশ স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি ব্যানারে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে শিক্ষকরা সকল এবতেদায়ি মাদ্রাসা সরকারীকরণের দাবি জানান। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো এবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে সুযোগ-সুবিধা দেয়াসহ ৭ দফা দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে অংশ নেন সমিতির সভাপতি কাজী মোঃ ফয়জুর রহমান, মহাসচিব কাজী মোখলেছুর রহমানসহ সমিতির নেতারা।

শিক্ষকদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মতো মুজিববর্ষ উপলক্ষে স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসা সরকারীকরণ, এবতেদায়ি মাদ্রাসার নীতিমালা সংশোধন করে আলিম শিক্ষকের পরিবর্তে এইচএসসি পাস শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত করা, কোডবিহীন স্বতন্ত্র মাদ্রাসাগুলো বোর্ড কর্তৃক কোড নম্বর অন্তর্ভুক্তকরণ, প্রাথমিকের ন্যায় স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে স্থায়ী রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা, প্রাথমিকের ন্যায় প্রতিটি স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসায় অফিস সহায়ক নিয়োগ, প্রাথমিকের ন্যায় স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রাথমিকের ন্যায় স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোতে আসবাবপত্র সরবরাহসহ ভবন নির্মাণ করা।

মানববন্ধনে শিক্ষক নেতারা জানান, সরকারীকরণসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে ঈদ-উল-আজহার পর ৯ আগস্ট থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচী শুরু করা হবে।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা
জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর