• বৃহস্পতিবার   ০৪ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ২০ ১৪২৭

  • || ২০ রজব ১৪৪২

আমলকি খাচ্ছেন, জেনে নিন যেসব রোগীর হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি

দৈনিক গাইবান্ধা

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

ছোট্ট একটি ফল। একটু কষ ও তেঁতো ভাব থাকলেও আমলকি খাওয়ার পর মিষ্টি লাগে। কমলার চেয়েও না-কি বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে আমলকিতে। শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান রয়েছে এতে।

শুধু শরীর নয়, ত্বক ও চুলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানেও কার্যকরী ফল এটি।  আমলকিতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট একাধিক রোগের হাত থেকে বাঁচাতে পারে। তবে অতিরিক্ত আমলকি খেলে হতে পারে বিপরীত।  চলুন তবে জেনে নেয়া যাক অতিরিক্ত আমলকি খেলে কী হতে পারে সে সম্পর্কে- 

> কোষ্টকাঠিন্য সমস্যা থাকলে আমলকি খেতে সতর্ক হতে হবে। কারণ এটি কোষ্টকাঠিন্য সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। এছাড়া এটি খাওয়ার পাশাপাশি পানি পানের পরিমাণ যদি কমে যায় তাহলে তা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে।

> আমলকিতে রয়েছে উচ্চমাত্রায় ভিটামিন সি। এ কারণে আমলকি প্রাকৃতিকভাবেই এসিডিক হয়ে থাকে। এ এসিড মানবদেহের এসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। অনেকেই আমলকি খালি পেটে খেতে পরামর্শ দেন, যা অনেক সময় অন্ত্রের এসিড বৃদ্ধিসহ স্বাস্থ্যগত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই এসিডিটি সমস্যায় এটি সতর্কতার সঙ্গে খেতে হবে।

> সাধারণত ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবেই আমলকি খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। এটি স্বাভাবিক মাত্রায় ডায়াবেটিসের জন্য প্রযোজ্য হলেও ডায়াবেটিসের মাত্রা যদি বিপজ্জনক হয়ে যায় তাহলে তা ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। এর কারণ, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ওষুধের কাজে আমলকি বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই ডায়াবেটিস থাকলে আমলকি খাওয়ার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে হবে।

> আমলকি হৃৎপিণ্ডের জন্য একটি শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে পরিচিত। এ কারণে আমলকি খাওয়ায় হৃৎস্পন্দন পরিবর্তিত হতে পারে। আপনার যদি হৃদরোগ থাকে তাহলে হঠাৎ বেশি আমলকি খাওয়া ঠিক হবে না। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আমলকি খেতে পারেন।

> আমলকি ঠাণ্ডা সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মনে করেন অনেক বিশেষজ্ঞ। এ কারণে আপনার যদি ঠাণ্ডা সমস্যা থাকে তাহলে হঠাৎ করে আমলকি খাওয়া উচিত হবে না। তবে সতর্কতা অবলম্বন করে তা সীমিত মাত্রায় খাওয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে ত্রিফলা হালকা গরম পানিতে মধু সহযোগে সেবন করা যেতে পারে।

দৈনিক গাইবান্ধা
দৈনিক গাইবান্ধা